ঢাকা | মঙ্গলবার | ২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

কোন নেতা-কর্মী নির্বাচনে অংশ নেবে, তা আদালত ও ইসি নির্ধারণ করবেন: বিএনপি

আওয়ামী লীগের কিছু নেতা-কর্মী যদি কার্যক্রমের কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে নিষিদ্ধ থাকেন, তাদের অংশগ্রহণের ব্যাপারটি আদালত ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্ধারণ করবে—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী আজ রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। রিজভীর নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল ওই হিসাব দাখিল করে।

‘এবারের নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে কে নির্বাচন করবে বা করবে না, তা আদালত ও নির্বাচন কমিশনের বিষয়। প্রচলিত আইন অনুযায়ী তারা সিদ্ধান্ত নেবেন,’ সাংবাদিকদের সামনে রিজভী বলেন।

তিনি বলেন, ‘অন্য রাজনৈতিক দল কী বলল, সেটি বিষয় নয়। প্রচলিত আইন এবং নতুন যে আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে, তার ভিত্তিতেই কারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন তা দেখতে হবে—এটি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। বিষয়টি তাদের ওপরই ছেড়ে দিলাম।’

এর আগে নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় নয়, যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্তই বিবেচ্য। আইনগত যোগ্যতা থাকলে যে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশন আগামী অক্টোবর মাসে কয়েকটি স্থানীয় স্তরের নির্বাচন আয়োজন করতে চায়। এ জন্য আগস্টের শেষ দিকে বা সেপ্টেম্বরের মধ্যে তফসিল ঘোষণা হতে পারে। সূত্রের কথায় প্রথম দফায় ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের সমর্থন দেবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, ‘যেহেতু এবারের নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে না, এ বিষয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে। এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।’

দলের কাউন্সিল প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মহাসচিব ও দলের চেয়ারম্যানও কাউন্সিল হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে নির্দিষ্ট তারিখ বা মাস এখনো চূড়ান্ত হয়নি। খুব শিগগিরই কাউন্সিল হবে বলে আমরা আশা করছি। সময় নির্ধারণ হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।’