বলিউডে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে — রণবীর কাপুর ও রণবীর সিং কি একসঙ্গে কোনো ছবিতে দেখা যাবে? নামী কাস্টিং ডিরেক্টর মুকেশ ছাবরা এই জল্পনায় আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছেন। তাঁর মত, যদি কখনও এই দুই রণবীর একই স্ক্রিন শেয়ার করেন, তা ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হবে।
মুকেশ বর্তমানে তাঁর সাম্প্রতিক প্রজেক্ট ‘ধুরন্ধর’ এবং প্রত্যাশিত ছবি ‘রামায়ণ’ নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন। আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির আগে নানা বিরূপতা ও বিতর্কে পেষিত হয়েছিল—নেতিবাচক রিভিউ, কিছু স্ক্রিনিং বাতিলের খবরসহ একটি অস্থির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এমন পরিস্থিতি নিয়ে মুকেশের মন্তব্য, মানুষ এখন অনেক সময় ছবি না দেখেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে; ট্রোল সংস্কৃতি বেড়ে গেছে, কিন্তু ভালো সিনেমাকে রোধ করা যায় না।
এই ‘পেইড নেগেটিভিটি’ নিয়েও টিনসেল টাউনের বাইরে-ভিতর অনেক আলোচনা হয়েছে; এমনকি ইয়ামি গৌতমও এই ধরনের প্রচারণার বিরুদ্ধে মুখ খোলার কথা বলেছেন। মুকেশ বলছেন, সব বাঁধা-ধরে ও সমালোচনা পেরিয়ে ভালো কাজ শেষে জায়গা করে নেয়।
অন্যদিকে ‘রামায়ণ’ সংক্রান্ত চর্চাও কম নেই। টিজার প্রকাশের পর থেকে ভিএফএক্স, কাস্টিং ও চরিত্রবিন্যাস নিয়ে নেটপাড়ায় বিশ্লেষণ ও সমালোচনার স্রোত উঠেছে। রণবীর কাপুর বা সাই পল্লবীকে দর্শক কতটা গ্রহণ করবেন—এ ধরনের প্রশ্ন উঠলেও মুকেশ আত্মবিশ্বাসী। তাঁর কথায়, ‘গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর’ পর থেকে এই দুই ছবির কাস্টিং তার জীবনের অন্যতম চ্যালেঞ্জ ছিল।
শেষে ফিরে আসে দুই রণবীরের সম্ভাব্য জুটি: মুকেশ ছাবরা বলেন, দুজনের অভিনয়ের স্টাইল আলাদা হলেও দুজনেই তুখোড় প্রতিভা। দর্শকদের মধ্যে প্রিয়তা-বৈরীতির আলোচনার মাঝেই তিনি চান যে, তারা যদি একসঙ্গে কাজ করেন, তাহলে একটি দুর্দান্ত নির্মাণ ফুটে উঠুক। ইন্ডাস্ট্রির দিক থেকে এমন সমাবেশ থাকলে তা নিঃসন্দেহে আলোচিত ও স্মরণীয় হবে।
তবে এখনও পর্যন্ত অফিসিয়াল কোনো ঘোষণা নেই; সবই জল্পনা এবং মুকেশের উচ্ছ্বাসপূর্ণ মন্তব্য থেকে জন্ম নেওয়া প্রত্যাশা। বলিউড ফ্যানদের জন্য এটিই অপেক্ষার খেলা—কবে আসবে সেই মুহূর্ত যখন দুই রণবীর একই ফ্রেমে ঝলমল করবে?




