ঢাকা | বুধবার | ২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

খুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু, 신규 ভর্তি ৪৩

খুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে এবং বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নতুন করে ৪৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এই তথ্য সোমবার (২০ জুলাই) খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় জানায়।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, ওই একজন রোগী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ছিলেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ জুলাই সকাল পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ জনে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জনগণকে সতর্ক করে বলেছে—ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা, বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জ্বর বা অসুস্থতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেওয়া অপরিহার্য।

তথ্য অনুযায়ী, বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত খুলনা বিভাগে মোট ১,৫১৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১,৩১০ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে মোট ১৭৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনজনিত কারণে ২৪ জনকে রেফার করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীদের জেলাভিত্তিক হিসেবে বাগেরহাটে সর্বোচ্চ ১৫ জন ভর্তি হয়েছে। খুলনা জেলায় ১১ জন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ জন, মাগুরায় ৩ জন, নড়াইলে ৩ জন, যশোরে ২ জন এবং ঝিনাইদহে ২ জন ভর্তি হয়েছেন। ওই সময়ে চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা জেলা এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে নতুন কোনো ভর্তি হয়নি।

জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা অনুযায়ী বাগেরহাটে ৫০৮ জন, খুলনা জেলায় ২৯৯ জন, খুলনা মেডিকেল কলেজে ২৬৪ জন, যশোরে ১৭২ জন, নড়াইলে ৯৬ জন, মাগুরায় ৫৪ জন, কুষ্টিয়ায় ৪৩ জন, মেহেরপুরে ৩৯ জন, ঝিনাইদহে ২২ জন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ১৬ জন, সাতক্ষীরায় ৫ এবং চুয়াডাঙ্গায় এখন পর্যন্ত কোনো রোগী ভর্তি হয়নি।

আক্রান্তদের মধ্যে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা জেলা অনুযায়ী—বাগেরহাটে ৬৮ জন, খুলনা জেলায় ৩৯ জন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৬ জন, যশোরে ১৪ জন, কুষ্টিয়ায় ৬ জন, নড়াইলে ৬ জন, মাগুরায় ৫ জন, ঝিনাইদহে ২ জন এবং সাতক্ষীরায় ১ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের আহ্বান — পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাহায্য মিলবে। জ্বর বা অসুস্থতার লক্ষণ দেখলেই দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।