ঢাকা | শুক্রবার | ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১৮০ কিশোরীকে অশ্লীল ভিডিও ধারণ, তরুণ গ্রেপ্তার

মহারাষ্ট্রের অমরাবতী শহরে এক তরুণের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে তিনি অন্তত ১৮০ কিশোরীর অন্তর্দ্দৃষ্টিপূর্ণ ভিডিও ধারণ করেছেন, পাশাপাশি ৩৫০টিরও বেশি অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করেছেন। এই ঘটনার সত্যতা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তকে আটক করে। স্থানীয় এক এমপির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এই দ্রুতগতিতে কাজ করে তাকে গ্রেপ্তার করে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রের পরতওয়াদা শহরের বাসিন্দা মোহাম্মদ আয়াজ ওরফে তানভীর বিভিন্ন কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাদের মুম্বাই ও পুনেতে নিয়ে যেতেন। সেখানে তারা মেয়েদের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করতেন। পরে এই ভিডিওগুলো ব্যবহার করে এক বিশেষ কৌশলে তাদের ব্ল্যাকমেল করা হতো এবং দেহব্যবসায় বাধ্য করা হতো। জানা গেছে, এই সব ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।

ভারতীয় রাজ্যসভার সদস্য অনিল বোন্ডে পুলিশ সুপার বিশাল আনন্দের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ এবং স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে এই নাবালিকাদের লক্ষ্য করে একটি পরিকল্পিত আক্রমণ চলছিল। তিনি সতর্ক করেছেন, যদি কোনও বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন না হয়, তবে তিনি পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে বিক্ষোভ করবেন।

এছাড়াও, মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য থানায় গিয়ে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি করেন। তারা বলেন, ব্যক্তির অপকর্মের কারণে পুরো সম্প্রদায়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হোক, তা যেন না হয়। এই ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ আয়াজকে গ্রেপ্তার করে। আজ বুধবার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তার মোবাইল ফোনটিও জব্দ করেছে, যেখানে অনেক আপত্তিকর ভিডিও পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত যুবক এই ভিডিওগুলো বন্ধু বা অন্য অপরাধী চক্রের সঙ্গে ভাগ করে নিতেন কি না, তা তদন্ত করছে পুলিশ। সাইবার সেলের সহায়তায় ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওগুলোর বিষয়েও তদন্ত চলছে।