ঢাকা | রবিবার | ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন মানে না

খুলনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ একটি একটি მრავალধর্মবিশ্বাসী দেশ, যেখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলেই সমান অধিকার享 করে থাকেন। বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন স্বীকার করবে না।

তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সময়ে যেসব দুঃসময় সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর পতিত হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে তার পুনরাবৃত্তি আর কখনো হতে দেওয়া হবে না। মন্দির, আশ্রম ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনও অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

অতিরিক্ত তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যদি আশেপাশের ভোটের মাধ্যমে সংসদে প্রতিনিধিত্ব লাভ করতে পারেন, তাহলে এলাকায় পানিবৈষম্য দূরীকরণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন, পাশাপাশি নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি করাই তার লক্ষ্য। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, উপজেলার প্রতিটি মানুষ যেন নিরাপদ, অর্থাৎ ভয় ও শঙ্কা মুক্তভাবে চলাফেরা করতে পারে, সেই জন্য চাঁদাবাজমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত একটি সমৃদ্ধ উপজেলা গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান উদ্দেশ্য।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে, ঘাটভোগ ইউনিয়নের ডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রূপসা উপজেলার সনাতনী সমাজ আয়োজিত এক সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন নেতাকর্মী ও ধর্মীয় নেতা গণও উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, খুলনা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জল কুমার সাহা, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তিলক কুদীর, বটতলা শ্মশানকালী মন্দিরের সভাপতি বিকাশ মিত্র, রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক নির্মল চন্দ্র সরদার এবং সঞ্চালন দেন রূপসা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন। শেষে বিভিন্ন অতিথি ও নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, প্রধান শিক্ষিকা ও ধর্মীয় নেতারা। অনুষ্ঠানটি ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।