ঢাকা | শুক্রবার | ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

হ্যাথাওয়ের ‘ইনশা আল্লাহ’ বলায় নেটজগৎ সরগরম

সিসেমি স্ট্রিটে লাল পুতুল এলমোর ‘আসসালামু আলাইকুম’ নিয়ে যে বিতর্ক উঠেছিল, তার ধারাবাহিকতায় এবার হলিউড তারকা অ্যান হ্যাথাওয়ের একটি সাক্ষাৎকারে ‘ইনশা আল্লাহ’ বলা নেটদুনিয়ায় তুমুল আলোচনা উসকে দিয়েছে।

সম্প্রতি পিপল ম্যাগাজিনকে দেয়া এই সাক্ষাৎকারে চল্লিশোর্ধ্ব জীবনের কথা বলার সময় হ্যাথাওয়ে বলেন, “আমি একটি দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন কাটাতে চাই, ইনশা আল্লাহ। আমি সেটাই আশা করি।” ব্যবহারিকভাবে সহজ ও স্বাভাবিক এই উচ্চারণ শোনার পর নেটিজেনরা অবাক হয়েছেন এবং ভিডিওটি এক্সে দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে হ্যাথাওয়ে শব্দটি সঠিক প্রাসঙ্গিকে—and—সঠিক উচ্চারণে ব্যবহার করেছেন, যা ইঙ্গিত করে তিনি এর সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সূক্ষ্মতা সম্পর্কে সচেতন। বিশেষ করে মুসলিমরাও তার এই অন্তর্ভুক্তি ও আন্তরিকতা প্রশংসা করেছেন।

তবে সাক্ষাৎকারটি কেবল এই এক বাক্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। চার দশকের জীবনানুভবে হ্যাথাওয়ে বলেছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতীতের সিদ্ধান্তগুলোকে নভেল দৃষ্টিতে দেখা যায় এবং তা ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেয়ায় সহায়ক হয়। তিনি বলেন, “৪০ বছর বয়সে ফিরে তাকালে বোঝা যায় যে অতীতের সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে বর্তমানকে গঠন করেছে।”

বয়সকে তিনি ভয়ের বদলে কৌতূহল এবং গ্রহণযোগ্যতায় গ্রহণ করার কথাই বলেন। “আমি এখন জীবনকে আরও সহজভাবে নিতে শিখেছি। আপনি চাইলে বার্ধক্যকে ভয় পাবেন, বা অনিশ্চয়তাকে ভয় পাবেন—কিন্তু আমি বার্ধক্যকে কৌতূহলসহ গ্রহণ করতে পছন্দ করি,”—এমন ভাবনাই তার মনোভাবকে প্রকাশ করে।

হ্যাথাওয়ের এই নম্রতা এবং ‘ইনশা আল্লাহ’ শব্দের ব্যবহার এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা ও প্রশংসার কেন্দ্রবিন্দু। অনেক ভক্ত মনে করছেন, এই ছোট্ট উচ্চারণেই তার সংবেদনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মনোভাব ফুটে উঠেছে।