ঢাকা | শনিবার | ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকে চারটি অনুসন্ধান কমিটি

দুর্নীতি ও নিয়োগ অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে জানানো হয়েছে, উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকাকালীন ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল দুই হাজার চারশত ছিয়াআট ঠিক হওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র চারটি জাহাজ কেনা হয়। এই লেনদেনে প্রায় চারশত ছিয়আট কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে বলে দুদক জানিয়েছে।

এছাড়া মোংলা বন্দরের ‘পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং’ প্রকল্পেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ আছে; এ প্রকল্পের বরাদ্দ ছিল এক হাজার পাঁচশত আটত্রিশ কোটি টাকা। এসব অভিযোগ যাচাই-বাছাই করার জন্য দুদকের তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে।

দুদক বলেছে, তদন্তের স্বার্থে প্রাসঙ্গিক সব কাগজপত্র, চুক্তি ও আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এখনও অনুসন্ধান চলমান রয়েছে, তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ থেকে যে কোনো সময় নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে।