ঢাকা | শুক্রবার | ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

দুদক তদন্তে চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নিয়োগভিত্তিক অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে। এই বিষয়ে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে এসব কমিটির প্রধান করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দুদকের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক কেলেঙ্কারির আভাস পাওয়া গেছে। বিশেষ করে তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালে নেওয়া একটি জাহাজ ক্রয়ের সিদ্ধান্তে অনিয়মের অভিযোগ আছে — ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র ৪টি জাহাজ কেনা হয়; ফলে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার অসঙ্গতি দেখা গেছে।

আরেকটি অভিযোগ মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পে। এই প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়; দুদক জানিয়েছে সেখানে বড় ধরনের অনিয়মের আশঙ্কা রয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানকারী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে প্রয়োজনীয় নথি-প্রমাণ তলব করেছে এবং অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য ও পরবর্তী কর্মপন্থা সম্পর্কে দুদক থেকে আরও জানানো হবে।