ঢাকা | সোমবার | ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও নভেম্বর মাসে তা আবার বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। এ হার গত বছরের নভেম্বরে ছিল ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা তুলনামূলকভাবে কম। আজ রোববার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

বিবিএসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ, আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ। এভাবে টানা দুই মাস ধরে খাদ্যসামগ্রীর মূল্য বাড়ছে।

দেশে গত তিন বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রবণতা বিরাজ করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।

বিবিএস বলছে, গত নভেম্বর মাসে জাতীয় গড় মজুরি বৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৪ শতাংশ, অর্থাৎ মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম।

মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে জিনিসপত্রের দাম কমে গেছে না, বরং এটি বোঝায় যে অন্যান্য মাসের তুলনায় নির্দিষ্ট মাসে দাম চাপ কিছুটা কম হয়েছে।

বিগত দুই-তিন বছরে অর্থনীতির মূল চ্যালেঞ্জের মধ্যে একটি হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সুদের হার বাড়ানোর মাধ্যমে এ সমস্যা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তদ্ব্যতীত, এনবিআর কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন তেল, আলু, পেঁয়াজ ও ডিমে শুল্ক ও কর কমিয়ে বাজারে নিত্যপণ্যের আমদানি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়।