ঢাকা | বুধবার | ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

থাইল্যান্ডের দুই চিকিৎসকের বাংলাদেশে সেবা বন্ধের নোটিশ

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) তাদের নিবন্ধন না থাকার কারণে থাইল্যান্ডের দুই চিকিৎসকের বাংলাদেশে চিকিৎসা সেবা প্রদান কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। রোববার রেজিস্ট্রার ডাঃ মোঃ লিয়াকত হোসেনের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সামিটিভেজ হাসপাতালের চিকিৎসক নাত্তিপাত জুথাচারোয়েনং ও ল্যান্টম টনভিচিয়েন এই সরকারের অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশে কোনো ধরনের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করেননি। এ কারণে তাদের সকল ধরনের চিকিৎসা সেবা প্রদান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বিএমডিসির নির্দেশে তাদের বুকিং বাতিল করতে বলা হয়েছে।এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে “ফ্লাইমেট” নামে একটি পেজ থেকে ওই দুই চিকিৎসকের ছবি ব্যবহৃত একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়, যেখানে বলা হয়, “আপনার শিশুর কি হার্টের সমস্যা? থাইল্যান্ডের সামিটিভেজ হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ আসছেন ঢাকা! বিদেশি চিকিৎসকের সরাসরি পরামর্শ নিন।” এই বিজ্ঞাপনটি বিএমডিসির দৃষ্টি এলে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।প্রজ্ঞাপনে আরও লেখা হয়, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইনের ২০১০ অনুযায়ী, বিদেশি চিকিৎসক বা চিকিৎসক দলকে বাংলাদেশে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কাউন্সিল থেকে অস্থায়ী নিবন্ধন নিতে হয়। তবে, এই দুই চিকিৎসক এই নিয়ম মানেননি, ফলে তাদের কার্যক্রম আইনগতভাবে অবৈধ বলে গণ্য হবে। তাই তাদের দ্বারা পরিচালিত চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ کرنے প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিএমডিসির রেজিস্ট্রার ডাঃ মোঃ লিয়াকত হোসেন বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি, অনুমোদন ছাড়াই সেমিনারের নামে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা হয়েছে। যদিও তারা দাবি করে, কোনো কনসালটেশন দেওয়া হবে না, কিন্তু অতীতে এরকম মিথ্যা দাবি করে বাংলাদেশে এসে চিকিৎসায় যুক্ত হওয়ার উদাহরণ রয়েছে, যা আইনসম্মত নয়।” এই বিষয়ে ফ্লাইমেটের মালিক নিলয় সাইদুর বলেন, “বিদেশি চিকিৎসকদের আনতে বিএমডিসি থেকে নিবন্ধন নিতে হয়, এটা আমাদের জানা ছিল না। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অসংখ্য বিদেশি চিকিৎসক এসে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তখন বিএমডিসি কিছু বলেনি। তবে আমরা এই অনুষ্ঠানটি বাতিল করেছি।”