ঢাকা | বুধবার | ২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন

ভারত জুড়ে আন্দোলন প্রসার পাওয়ার बीच রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজধানীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়া একটি আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাবদিহিত্ব দাবি করে তারা এই প্রতিবাদে অংশ নেন।

সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ঠিক একদিন পর, কংগ্রেস নেতাদের রোয়ানায়—রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খারগে ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধা—জনচাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী আবাসস্থলের সামনে জমায়েত করেন। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশী দমন-পীড়নের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি নীরব থেকেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন কেন প্রধানমন্ত্রী দ্রুতভাবে ঘটনার নিন্দা করেননি বা আহত শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাননি। রাহুল বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর উচিত এই বেকায়দা সামলানো ও নিজেই কথা বলা—তখনই এই অযৌক্তিকতা বন্ধ হবে।’’

বিক্ষোভের পাশাপাশি কংগ্রেসের নেতারা দিল্লির আরএমএল হাসপাতালে আহত বিক্ষোভকারীদের দেখতে যান এবং তাদের সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া সংসদ অধিবেশনের আগে লোকসভার স্পিকার ওম বিরলাকে দেখতে গিয়ে রাহুল সংসদে বিষয়টি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার দাবি জানান।

একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রাহুল লেখেন, ‘‘আজ আমরা লোকসভার মাননীয় স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। আমাদের দাবি স্পষ্ট—গতকালের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে চালানো নৃশংসতা ও পরীক্ষাসংক্রান্ত সংকট নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ পেতে হবে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখন সংসদে তা নিয়ে আলোচনা না হলে সংসদের উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’’ রক্ষা পাবে না এমন দমন-বিরোধী নীরবতা—এই অঙ্গীকার নিয়ে কংগ্রেস নেতারা জানান যে, তারা শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে সংসদ ও রাস্তায় লড়াই চালিয়ে যাবেন এবং নিশ্চিত করবেন যে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর কোথাও চাপা পড়বে না।

এই প্রতিবেদনগুলোর সূত্র এনডিটিভি।