ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে চার নারী প্রার্থীর দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা করেছে বিএনপি। সোমবার নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এই চার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মনোনীত চারজন হলেন নিপুণ রায় চৌধুরী, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা সিকদার ও মাধবী মারমা। বিএনপি বলেছে, মনোনয়নে সামাজিক প্রতিনিধিত্ব ও বৈচিত্র্যকেই বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
আন্না মিঞ্জ ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) হিসেবে পরিচিত। নাটোরের বাসিন্দা আন্না সামাজিক উন্নয়ন কর্মী হিসেবে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন এবং সুবিধাবঞ্চিত সংখ্যালঘু, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হয়ে সংরক্ষিত আসনে প্রতিনিধিত্ব করবেন বলে গণমাধ্যমকে বলেছেন। তার স্বামী জন গোমেজ বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক।
সুবর্ণা সিকদার ঠাকুর গোপালগঞ্জ থেকে মনোনীত হন। তিনি একজন শিক্ষক ও মথুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত। মনোনয়ন ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুবর্ণা সিকদারকে নিয়ে নানা গুজব ছড়ায়; এর মধ্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কমিটিতে তার থাকা-নাহাকার কথা বলা হচ্ছে। এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সুবর্ণা সিকদার বলেন, “আমি বিএনপির একজন সমর্থক; কোনো আওয়ামী লীগের কমিটিতে নেই।” তার স্বামী পদ্মনাভ ঠাকুর এক সময় যুবদলের নেতা ছিলেন।
মাধবী মারমা বান্দরবান থেকে মনোনীত হয়েছেন। তিনি বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও দলটির (বিএনপি) মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক।
বিএনপির শীর্ষনেতারা বলেন, সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিক পরিবেশ গড়াই দলটির এ উদ্যোগের লক্ষ্য। আগামী সাংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনগুলোতে মাল্টি-কমিউনিটি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতে এই মনোনয়নগুলোর গুরুত্ব থাকছে বলে তারা জানান।




