ঢাকা | শুক্রবার | ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার ‘দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া’ হবে: ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের কাছে থাকা ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের জুনে পরিচালিত ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর কারণে ইরানের নিউক্লিয়ার সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে থাকা ইউরেনিয়াম‑ধূলি অনেকটাই ধ্বংস হয়ে গেছে; তাই তা খোঁজে বের করে পুনরুদ্ধার করা সহজ হবে না।

গত সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “অপারেশন মিডনাইট হ্যামার চলাকালে ইরানের নিউক্লিয়ার স্থাপনাগুলোতে থাকা ইউরেনিয়াম‑সংক্রান্ত পদার্থগুলো বড় ধরনেরভাবে নষ্ট হয়েছে। সেগুলো পুনরুদ্ধার করতে আমাদের দীর্ঘ ও জটিল উদ্যোগ নিতে হবে।”

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ৬ জুন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএএএ) জানায়, ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে এবং এর প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত এনরিচ করা আছে। আইএএএ সতর্ক করেছে, যদি এই ইউরেনিয়ামের বিশুদ্ধতার হার ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ওঠানো যায় তাহলে তা দিয়ে একাধিক পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথ খুলে যেতে পারে।

আইএএএ-এর ঐ ঘোষণার ছয় দিন পর ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক কার্যক্রম শুরু করে এবং তার কয়েক দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রও ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ শুরু করে। উভয় অভিযান প্রায় ১২ দিন চলার ফলে ইরানের নানান পরমাণু স্থাপনাগো কঠোরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তখনও দেশটির পরমাণু মজুদে মোট নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে পারেনি।

এদিকে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছে তার মূল লক্ষ্যও ইরানের ইউরেনিয়াম হস্তগত করাই—যা ট্রাম্পের মতে দীর্ঘ ও জটিল কাজ হবে।

সূত্র: এএফপি, আনাদোলু এজেন্সি