ঢাকা | শুক্রবার | ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

চোখের জলে চিরবিদায়: পঞ্চভূতে বিলীন হলেন আশা ভোঁসলে

নোট: আপনার দেওয়া লেখায় আশা ভোঁসলের মৃত্যু উল্লেখ রয়েছে। আমার শেষ তথ্য (জুন ২০২৪) অনুযায়ী এ ঘটনার ভেরিফায়েড তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। আপনি যদি চান আমি লেখাটি যেমন আছে তেমনি রিরাইট করে দেব — নিচের অংশটি আপনার প্রদত্ত তথ্য অনুসারে রচিত সংস্করণ।

ভারতীয় উপমহাদেশের নামকরা গানকার আশা ভোঁসলে পঞ্চভূতে বিলীন হয়েছেন। সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক শ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়; শেষকৃত্যে মুখাগ্নি করেন তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে। এভাবে নিভে গেল এক যুগের সুরের আলো। (সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস)

রবিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত মুম্বাইয়ের লোয়ার পারলেতে আশা ভোঁসলের বাসভবন থেকেও ভক্ত-সমর্থকদের ঢল নামে। সকাল থেকেই বাড়িটি ছিল মানুষের ভিড়ে পরিপূর্ণ, কিন্তু উৎসবের বদলে বিরাজ করছিল শোক ও স্তব्धতা। শেষ বিদায় জানাতে হাজির ছিলেন বহু পরিচিত মুখ — মীনা খাড়িকর, অভিনেতা আমির খান, ক্রিকেট কিংবদন্তি সচিন টেন্ডুলকার, সঙ্গীত পরিচালক এ.আর. রহমান, জাভেদ আলি, অভিনেত্রী টাবু, আশা পারেখ, নীল, নীতিন মুকেশ, জ্যাকি শ্রফসহ বিনোদন, সংসদ ও ক্রীড়া অঙ্গনের অনেক বরিষ্ঠ ব্যক্তি।

বাসভবন থেকে মরদেহটি শিবাজি পার্ক শ্মশানে নেওয়া হয়। আশা ভোঁসলের শববাহী গাড়িটি তাঁর প্রিয় সাদা ও হলুদ রঙের ফুলে সাজানো ছিল। রাস্তার দুপাশে ভক্ত-অনুরাগীদের ভিড়কে আবদ্ধ করে তারা তাদের প্রিয় গায়িকাকে শেষ বার দেখেন, চোখে অশ্রু নিয়ে শ্রদ্ধা জানান। শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র, রাজনীতি ও ক্রীড়া অঙ্গনের অনেক বিশিষ্টদের প্রতিনিধিরাও।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১১ এপ্রিল অসুস্থ হয়ে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আশা ভোঁসলেকে; ১২ এপ্রিল দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স ছিল ৯২ বছর।

সংগীতজীবন: ১৯৪৩ সালে পেশাজীবী সংগীতের শুরু করেন আশা ভোঁসলে। আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি নিয়মিত গান করেছেন। শুধু হিন্দি নয়, প্রায় ২০টির মতো ভারতীয় ভাষায় এবং কিছু বিদেশি ভাষাতেও গান রেকর্ড করেছেন। চলচ্চিত্রে তিনি মোট ৯২৫টিরও বেশি ছবিতে গান গেয়েছেন এবং মোটামুটি ১২ হাজারের অধিক সংখ্যক গান রেকর্ড করেছেন বলে ধারণা করা হয়। ভারত সরকার তাকে ২০০৮ সালে পদ্মভূষণ দিয়ে সম্মানিত করে; ২০১১ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসও তাঁকে সর্বাধিক সংখ্যক গান রেকর্ডকারী হিসেবে মূল্যায়ন করেছিল।

ব্যক্তিগত জীবন: আশা ভোঁসলের প্রথম বিবাহ গণপতরাও ভোঁসলের সঙ্গে হয়; তখন তিনি ছিলেন ১৬ এবং গৃহস্থ গণপতরাও ছিলেন ৩১। ১৯৬০ সালে প্রথম সংসার ভেঙে যায়। পরে ১৯৮০ সালে তিনি সঙ্গীত পরিচালক আর.ডি. বর্মনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন; ১৯৯৪ সালে আর.ডি. বর্মনের মৃত্যু ঘটে।

(উপরোক্ত সংবাদটি অনুকরণ করে পুনর্লিখিত — অনুগ্রহ করে ঘটনার সঠিকতা নিশ্চিত করতে বিশ্বস্ত সংবাদসূত্র যাচাই করুন। আপনি চাইলে আমি এই প্রতিবেদনকে উৎস অনুসন্ধান করে আপডেট করে দিতে পারি।)