ঢাকা | শনিবার | ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

পিএসএল: সংঘাতের ছায়ায় ভেন্যু বদল, মুস্তাফিজদের ম্যাচ দর্শকশূন্য মাঠে

মুস্তাফিজুর রহমানসহ ছয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার আগামী পিএসএলে খেলতে নামছেন — কিন্তু টুর্নামেন্টের আয়োজন নিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও প্রতিবেশী অঞ্চলের উত্তেজনা ও গ্লোবাল সঙ্কটের পরে পাকিস্তানের ভেন্যু-বাঁধছেঁড়া করে পিএসএলের পরিধি কমিয়ে আনা হলো।

আগে যেখানে পাকিস্তানের ছয়টি শহরে খেলা হওয়ার কথা ছিল, এখন টুর্নামেন্ট সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে কেবল লাহোর ও করাচিতে। পাশাপাশি নিরাপত্তা-বায়বহাব ও জ্বালানি সাশ্রয়ের কারণে সব ম্যাচ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে বৃহৎ জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয়েছে।

পিসিবি প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভি বলেন, প্রতিদিন মোট কয়েক হাজার বাসিন্দা স্টেডিয়ামে যাতায়াত করলে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে, তাই চলমান সংকট না টিকে পর্যন্ত দর্শক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এটি কঠিন হলেও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

টাইমলাইন ঠিক রাখা হয়েছে: ২৬ মার্চ থেকে ৩ মে পর্যন্ত চলবে পিএসএল। প্রথম পর্বে ২৬ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১৪টি ম্যাচ হবে লাহোরে, এরপর করাচিতে ১৫টি ম্যাচ নিয়ে টুর্নামেন্ট চলবে। ২১ এপ্রিল থেকে আবার লাহোরে ফিরবে ম্যাচসমূহ। কোয়ালিফায়ার রাউন্ড মূলত রাওয়ালপিন্ডি থেকে সরিয়ে ২৮ এপ্রিল করাচি ও লাহোরে আয়োজন করা হবে। ফাইনাল হবে ৩ মে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ ২৬ মার্চে লাহোর কালান্দার্স ও হায়দরাবাদ কিংসমেনের মধ্যে খেলানো হবে, যেখানে মুস্তাফিজ বিরলভাবে লাহোর দলকে শক্তি যোগ করবেন বলে দেখা যাচ্ছে।

বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম ও তানজিদ হাসান তামিম পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলবেন এবং তাদের প্রথম ম্যাচ ২৮ মার্চ রাওয়ালপিন্ডির বিরুদ্ধে। পিসিবি ও টুর্নামেন্ট আয়োজকদের সিদ্ধান্ত এখনই সূচি অপরিবর্তিত রেখে ভেন্যু ও দর্শক নীতিতে পরিবর্তন আনার ওপর কেন্দ্র করে।

আয়োজকদের লক্ষ্য টুর্নামেন্টটি নিরাপদ ও ঝক্কিমুক্তভাবে শেষ করা—তাই এই সংশোধিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দর্শক ছাড়া খেলা হলেও মাঠে উপস্থিত না থেকে টিভি ও অনলাইনে সমর্থকরা খেলা উপভোগ করতে পারবেন।