ঢাকা | শনিবার | ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

থানার পাশেও থাকতেন ছদ্মবেশে, ৭ মাসে করেছেন ৬ খুন

সাভার মডেল থানার কাছাকাছি থাকা একটি পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টার হলো recent কয়েক মাসের নৃশংস খুনের কেন্দ্রবিন্দু। এই স্থানটির ঠিক পাশেই থাকতেন এক ব্যক্তিকে, যিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের চোখে ভবঘুরে, কিন্তু তার প্রকৃত পরিচয় ছিল এক ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলারের। গত সাত মাসে এই স্থান থেকে ছয়টি লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি ঘটনায় পোড়ানো মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে আধা পুড়ে যাওয়া দুটি মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর অনেক তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, খুনি নিজেকে সাধারণ ভবঘুরে বলে পরিচয় দিতেন, কিন্তু আসলে তিনি ছিলেন এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিত্ব, যাকে পুলিশ মশিউর রহমান খান সম্রাট হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মানসিকভাবে বিকৃত ছিলেন এবং সাত মাসের মধ্যে ছয়টি নৃশংস খুন করেছেন।

সোমবার আদালতের মাধ্যমে জবানবন্দি নেওয়া হবে তাকে। পুলিশ জানিয়েছে, তার কাছে উদ্ধার হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ এবং একজন সাংবাদিকের ধারণ করা ভিডিও এই ঘটনার আসল রহস্য উন্মোচন করেছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সম্রাট একটি নারীকে কাঁধে নিয়ে যাচ্ছে, এরই মধ্যে ওই নারী নিজেকে সোনিয়া বলে পরিচয় দেন। কিন্তু দু’দিন পরই সোনিয়ার পোড়া মরদেহ উদ্ধার হয়। এই ভিডিও ও ফুটেজের বিশ্লেষণে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, সম্রাটই মূল খুনি।

পুলিশের মতে, সম্রাট একজন মানসিকভাবে অস্থির, ‘সাইকোপ্যাথিক’ কিলার। তার মূল টার্গেট ছিল ভবঘুরে মানুষ। বিভিন্ন তদন্তে জানা গেছে, সে লালটেক বা ব্যাংক কলোনি এলাকায় ছদ্মবেশে ঘোরাফেরা করত এবং ওই সকল স্থান থেকে বিভিন্ন সময় অপরাধ চালাত।

এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এ ধরনের নৃশংস সিরিয়াল কিলিংয়ের খবর শুনে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন,