ঢাকা | সোমবার | ২৭শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

এলপিএল স্থগিতের কারণে বিপিএলের সম্ভাবনা উজ্জ্বল

শ্রীলঙ্কায় এলপিএল স্থগিত হওয়ায় দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য নতুন এক আশার আলো দেখিয়েছে। এবারের বিপিএল ঘিরে সৃষ্টি হওয়া বিদেশি ক্রিকেটার সংকটের ঝামেলা কিছুটা কমবে বলে প্রত্যাশা জাগিয়েছে। মূলত, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) ঘোষণা করেছে, এলপিএলের আসর এখন নভেম্বর-ডিসেম্বরের পরিবর্তে অন্য কোনো সময় অনুষ্ঠিত হবে। আগের পরিকল্পনায় ছিল, ২৭ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কলম্বো, ক্যান্ডি ও ডাম্বুলায় এই টুর্নামেন্ট হবে। তবে এখন বলা হচ্ছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ও ভেন্যুগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন কাজে বেশি মনোযোগ দিতে চাইছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। বিশ্বকাপের জন্য ভেন্যুগুলোতে সময়মতো প্রস্তুতি নেওয়া খুব জরুরি, তাই এলপিএল পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কা বোর্ডের মতে, ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বিশ্বকাপের, যেখানে ভেন্যু প্রস্তুতিতে প্রয়োজনীয় সময়ের বিকল্প নেই। আইসিসির নির্দেশনা অনুসারে, ভেন্যুগুলোর সুবিধা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন তুলনামূলকভাবে সময় সাপে গিয়েছে। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজও বর্তমানে স্থগিত রয়েছে, যা মূলত নারী ও মেয়েদের ওভর্স ও বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য। গত দুই বছর এলপিএল অনুষ্ঠিত হয়েছিল জুলাই-আগস্টে, কিন্তু এবার নভেম্বর-ডিসেম্বরে ফের আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। অপরদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই ডিসেম্বরে বিপিএলের আয়োজন করতে চায়, যা প্রায় একই সময় অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টি ও দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সঙ্গে থাকছে। এ সব টুর্নামেন্টের কারণে এমনিতেই বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য প্রতিযোগিতা ও মানের প্রশ্ন উঠছিল। একদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ঘোষণা করছে, পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের দেশের বাইরে এখন অন্য লিগে খেলার অনুমতি দেবে না। এই পরিস্থিতিতে এলপিএলের পিছিয়ে যাওয়াটা বিপিএলের জন্য এক ধরনের স্বস্তির খবর বলেই মনে করা হচ্ছে। ব্যস্ত এই মৌসুমে বিদেশি খেলোয়াড় সংগ্রহের ক্ষেত্রে বর্তমানে কিছুটা হলেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা যায়।