ঢাকা | সোমবার | ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

নগরীর ৩১ ওয়ার্ডে প্রায় এক লাখ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচে মোট ৯৩ হাজার ৭৮৮ শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে স্কুল শিশুর সংখ্যা ১৩ হাজার ৩৮৮ এবং কমিউনিটি ভিত্তিক শিশুর সংখ্যা ৮০ হাজার ৪০৪। এই তথ্য জানানো হয় রোববার সন্ধ্যায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নগর স্বাস্থ্য ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রধান অতিথি হিসেবে। তিনি বলেন, আমরা চাই এই টিকা কার্যক্রম যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিশুর দারপ্রাপ্ত হয়, সেই জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যেই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মাইকিং এবং মসজিদের ইমামদের সঙ্গে বৈঠক করে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। শুক্রবার নামাজের আগে খুতবায় এই টিকা কার্যক্রমের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হবে। মিডিয়ার ভূমিকা সর্বাধিক হলে এই প্রচার আরও ফলপ্রসূ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অতি অবশ্যই, সকল শিশুকে হাম-রুবেলা থেকে রক্ষা করতে এই ক্যাম্পেইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তা চেয়েছেন প্রশাসক, যেন কোথাও যদি দুর্বলতা বা সমস্যা দেখা যায়, তা দ্রুত তারা কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন।

প্রশাসনের উদ্যোগে কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল এবং অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মীরা। ডাঃ নাজমুর রহমান সজিব, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল অফিসার, এই টিকা বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন।

সভায় জানানো হয়, ২৫৬টি টিকা কেন্দ্রে ১৪৪ জন টিকাদানকর্মী, ২০৬ জন স্বেচ্ছাসেবী ও ৬২ জন সুপারভাইজার এই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবে। কার্যক্রম প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে, ছুটির দিন ব্যতীত।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, খুলনা বিভাগে প্রতিটি জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন চলবে। এর লক্ষ্য শিশুদের প্রচুর সচেতনতা সৃষ্টি করে, যেন রোগের প্রাদুর্ভাব কমে আসে এবং শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হয়।