ঢাকা | রবিবার | ১লা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১১ দিনে ৩২২০ টন মোটা চাল আমদানি

দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে গত ১১ দিনে মোট ২৩টি চালানের মাধ্যমে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে ৯টি ট্রাক চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এর ফলে, মোট ১১ দিনে এই বন্দরের মাধ্যমে ২৩টি চালানের মাধ্যমে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন চাল আমদানির ঘটনা ঘটল। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন। তিনি জানান, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো হাজী মুসা করিম এন্ড সন্স। চালের আমদানির পর বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সময়ে বেনাপোল বন্দরে আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন। এর আগে, গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত চার মাসে এই বন্দরে চাল আমদানির পরিমাণ ছিল মোট ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। উল্লেখ্য, গত ১৮ জানুয়ারি সরকার ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দ্বিতীয় মেয়াদে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়, যার সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এর মধ্যে চালগুলো বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। হাজী মুসা করিম এ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে ১১ দিনে মোট ৯০ ট্রাকের মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছেন। তিনি বলেন, আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৫০ টাকা এবং খোলা বাজারে এ চালের বিক্রি হবে প্রতি কেজি ৫১ টাকায়। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, এই বন্দরের মাধ্যমে ভারত থেকে ১১ দিনে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। তিনি আরও জানান, আমদানিকৃত চালের চালানগুলো দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।