ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্রের এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা

মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান। সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের একটি ঘাঁটিতে কয়েকদিন অবস্থান করার পর আজ মঙ্গলবার এসব যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডাটায় দেখা গেছে, রয়্যাল এনএফএ ব্রিটিশ বিমান বাহিনীর লেকেনহেথ ঘাঁটি থেকে এফ-২২ যুদ্ধবিমানগুলো উড্ডয়ন করছে। এর পাশাপাশি রয়েছে কেসি-৪৬ রিফুয়েলার বিমান, যা এসব যুদ্ধবিমানকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের এই ঘাঁটিতে এসেছে যুদ্ধবিমানগুলো এবং কয়েকদিন সেখানে অবস্থান করে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, রিফুয়েলার বিমানের কিছু সমস্যা থাকায় এগুলো সেখানে অবতরণ করে। এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী ও অন্যান্য যুদ্ধজাহাজের বিশাল বহর জমা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক এফ-২২ সহ এফ-৩৫, এফ-১৫, ও এফ-১৬ সহ বহু বিমান। বিমানবাহী এই বহরের জন্য কয়েক ডজন বিমানকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে চালানো হয়েছে বলে ট্র্যাকিং দল জানিয়েছে। তারা বলেছে, ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে থেকে এসব যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি ট্যাংকার, বিশাল আকারের কার্গো বিমান কৌশলে ওই অঞ্চলে প্রবেশ করছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সুপারশিপ ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড ক্রিট দ্বীপের সুদা বে নৌঘাঁটিতে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে এটি ইরান থেকে মাত্র ২৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নৌবহরকে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন। এর উদ্দেশ্য ইরানকে তার পরমাণু কর্মসূচি বাতিল, ক্ষেপণাস্ত্রের রেঞ্জ কমানো ও শর্ত ভেঙে হিজবুল্লাহ ও হামাসের মতো সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে বাধ্য করা। ট্রাম্প বারংবার হুমকি দিয়েছেন, যদি ইরান তাদের শর্ত মানে না, তাহলে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেবে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে একের পর এক রণতরী ও যুদ্ধ জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে নিয়েছে। এর সঙ্গে যোগ দিয়ে এসেছে ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল