ঢাকা | সোমবার | ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৩ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

নির্বাচনী প্রচারে ড্রোন ব্যবহার শোভন নয়: ইসি নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন পর্বে প্রচুর জনসমাগম ও গণসঙ্গীতের জন্য নানা ধরনের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার হয়। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচন কার্যক্রমের জন্য জারি করা ‘নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’ এর মধ্যে নতুন নির্দেশনা দিয়ে নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচনি প্রচার, ভোটগ্রহণ ও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের সময় কোনো প্রকার ড্রোন বা কোয়াডকপ্টার ব্যবহার করা যাবে না। এই নির্দেশনা নির্বাচন কেন্দ্রিক সব ধরনের কার্যক্রমে বাস্তবায়ন হবে।

বিশেষত, বিধিমালার ৯ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণার সময় যানবাহন, মিছিল, জনসভা কিংবা শোডাউনের জন্য কোনো ড্রোন, হেলিকপ্টার বা অন্য কোনও আকাশযান ব্যবহার করতে Hinduযোগ্য নয়। তবে, দলীয় নেতৃত্ব বা উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা নিজের যানবাহনে যোগে পারিপার্শ্বিক নিরাপত্তার জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু সেই সময় লিফলেট, ব্যানার বা অন্য প্রচার সামগ্রী আকাশপথে নিক্ষেপ বা প্রদর্শন করা যাবে না।

অতিরিক্তভাবে, বয়ান অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় বা ভোটের সময় কোনো ধরনের মিছিল বা শোডাউন চলবে না, এবং মনোনয়ন দাখিলের সময়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা থেকে বেশি ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে পারবে না। নির্বাচনকালীন সময়ে ভোটকেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে নির্ধারিত অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ মোটরসাইকেল বা যান্ত্রিক বাহন চালাতে পারবে না।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নির্বাচনী প্রচার ও ভোটগ্রহণের সময় কোনো ড্রোন, কোয়াডকপ্টার বা অনুরূপ যন্ত্র ব্যবহার করতে বারণ করা হয়েছে। এর ফলে পর্যবেক্ষক জরিপ, প্রচারণা বা অন্য কোনও কাজের জন্য এই প্রযুক্তির ব্যবহার বন্ধ থাকবে।

অন্যদিকে, ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর পক্ষে দেয়াল লেখালেখি বা অংকন করে প্রচারণা চালানো নিষেধ। আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রতীকের জন্য জীবন্ত প্রাণী ব্যবহার করা যেতে পারবে না।

নির্বাচনী এই বিধিমালাগুলোর বাস্তবায়ন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী, সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন এই নিয়মগুলো কঠোরভাবে পালন করার জন্য তৎপর। এটাই এখন মূল দায়িত্ব যেন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন হয়।