ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশি বোলাররা আগের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দুর্দান্ত বোলিং দেখিয়েছে। নাহিদ রানার পাঁচ উইকেটের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস ৪৮.৪ ওভারেই ১৯৮ রানে থেমে যায়। এবার স্বাগতিকদের জয় থামাতে হবে ৫০ ওভারে ১৯৯ রান।
টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম। তবে তাদের শুরুটা ভালো হয়নি। ম্যাচের অষ্টম ওভারেই নাহিদ রানার বল থেকেই হেনরি নিকোলস লেজ বিফোর হয়ে সাজঘরে ফিরেন—নিজের ২৫ বলের ইনিংসে ১৩ রান করে। কিউইরা তখন মাত্র ২৫/1।
এরপরই দশম ওভারেই রানা আরও এক বলে প্রেক্ষাপট পরিবর্তন করেছেন—উইল ইয়ানকে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে দেন তাকে। পাওয়ার প্লে শেষে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ছিল কেবল ২ উইকেটে ২৮ রান।
এর পরে কেলি আর অধিনায়ক ল্যাথামের সঙ্গে ২৪ রানের জুটি গড়ে আক্রমণ সামলানোর চেষ্টা করেন কিউই ব্যাটিং লাইন-আপ। কিন্তু ল্যাথাম সৌম্য সরকারের বলে ব্যক্তিগত ১৪ রানে ফিরে যান। এরপর মোহাম্মদ আব্বাস ক্রিজে এসে কেলির সঙ্গে জুটি গড়েন; তারা ৬৬ বলে ৫৬ রানের পতাকা ঝুলিয়ে দেন।
তবে সেই জুটি বেশি দিন টেকেনি—আব্বাসকে রানার একটি শটেই ফেরাতে মাঠে নামে লাল-সবুজের পেসার। কেলি একপ্রান্ত ধরে রেখে খেলছেন এবং ৬৬ বল খেলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন; শেষ পর্যন্ত ১০২ বলে ৮৩ রানে ফিরেন, শরিফুল ইসলামের বলে তাওহিদ হৃদয়ের ক্যাচে।
কেলির আউটের পর নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ধসে পড়ে। রিশাদ হাসান ও শরিফুলরা আরও একডজন করে উইকেট নেন; নাহিদ রানা ফিরিয়েছেন ডিন ফক্সক্রফট ও জেইডেন লেনক্সকে—এভাবে রানার হাতে আসে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তার দ্বিতীয় ফাইফার। অবশেষে কিউইরা ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয়।
বাংলাদেশের বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ও মাঝের উইকেটগুলো সংগ্রহে বাধা হিসেবে作用 করেছে কিউইদের ওপর। এখন স্বাগতিকদের জিততে হবে ১৯৯ রান, আর টাইগারদের এই বোলিং ফর্ম তাঁদের বড়ো সুবিধা এনে দিয়েছে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে।




