ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু: দেশের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও শূন্যতা সৃষ্টি

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘোষণা দেন দলীয় নেতা ও চিকিৎসকরা। এই অপূরণীয় ক্ষতি আর শোকের ভিড়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবৃতি দিয়ে জানান, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শুধু দল নয়, বরং পুরো জাতির জন্যই বড় এক

খালেদা জিয়া কোনো নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করেননি

বাংলাদেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আজ আর আমাদের মধ্যে নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার ভোর ৬টায় তিনি পৃথিবীর আলোর আলো থেকে চিরবিদায় নেন। তাঁর অকাল মৃত্যু দেশের রাজনীতি ও জনগণের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে থেকে থাকবে। খালেদা জিয়া ছিলেন এক অসাম্প্রদায়িক, আপসহীন নেতা, যিনি জীবনে কখনো নির্বাচনে পরাজয় মেনে নেননি। প্রায় চার

বিএনপি থেকে রুমিন ফারহানা ও আরও ৮ নেতার বহিষ্কার

বিএনপি শুক্রবার তার সাংগঠনিকstructure অনুযায়ী দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য নয়জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। এর মধ্যে রয়েছেন দলের সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, দলের কেন্দ্রীয় সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহ আলম, হাসান মামুন, আব্দুল খালেক, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির

খালেদা জিয়া: একটি বর্ণাঢ্য ও প্রয়াত নেত্রীর জীবনকাহিনী

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন অবিসংবাদিত নেত্রী হিসেবে বিবেচিত খালেদা জিয়া ছিলেন ‘আপসহীন নেত্রী’। তার দীর্ঘ জীবনের অর্জন, সংগ্রাম ও শোকের গল্প দেশের বহু হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে। তিনি বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির একজন ক্ষণজন্মা নেতা, যিনি জীবনভর সংগ্রাম, সাফল্য ও বেদনার প্রতিচ্ছবি আঁকেছিলেন। খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে। তার বাবার নাম ইস্কান্দার মজুমদার, মা তৈয়বা বেগম। পরিবারের তিন

সজীব ওয়াজেদ জয় খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কার ব্যাখ্যা

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি মনে করেন, এই মৃত্যুটি বর্তমান বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় এক বড় ধাক্কা। মঙ্গলবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এক পোস্টে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। সজীব ওয়াজেদ জয় তার পোস্টে বলেন, “বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে

খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধায় ৩৩ দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারের বাসস্থান ত্যাগ

বুধবার ৩১ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বারিধারার কূটনৈতিক জোনে অবস্থিত বাংলাদেশে নিযুক্ত ৩৩টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার পদত্যাগ করেছেন। এই পদক্ষেপটি ছিল বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশগ্রহণ ও শ্রদ্ধা জানাতে, যা ঢাকার রাজনৈতিক ইতিহাসের এক স্মরণীয় মুহূর্তে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের দিকে রওনা হয়েছেন, যেখানে তারা বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায় জানাতে এবং তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা

যতদূর চোখ যায়, মানুষ আর মানুষ

সংসদ ভবন এলাকা এখন মানুষের ঢলনে মোড়া। এখানে থেকে যতদূর চোখ যেতে দেখা যাচ্ছে, শুধু মানুষই মানুষ। তারা সবাই এসেছে নেত্রী খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানাতে। জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি শুধু বিএনপি ও দেশের মূল নেতা নয়, একই সঙ্গে মানুষের প্রিয় এক প্রতীক হয়ে উঠেছেন। এই জনস্রোত স্পষ্ট করে দিয়েছে—খালেদা জিয়ার জন্য দেশের মানুষ কেমন গভীর আবেগে ভাসছেন। সারা দেশ

খালেদা জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা উপস্থিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শেষ জানাজায় অংশ নিতে আজ রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে পৌঁছেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি সেখানে পৌঁছান। তার সঙ্গে কয়েকজন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যও উপস্থিত ছিলেন। জানাজার আগে, বুধবার দুপুর ২টার দিকে নির্ধারিত সময়ে এই নামাজ অনুষ্ঠিত হতে ছিল, তবে মানুষের

তারেক রহমানের সঙ্গে নেপাল-ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে বিএনপি ভবনে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা এবং ভুটানের পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী লিয়নপো ডি. এন. ধুংগেল। বিএনপির মিডিয়া সেলে জানানো হয়েছে, এই বৈঠকের সময় তারা তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা প্রদান করেন। এই সাক্ষাৎটি বিশেষ önem रखनेা কারণ, এর আগে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকায় ঢুকেন নেপালের ও ভুটানের এই দুই

ই-সিগারেট ও ভেপ নিষিদ্ধের জন্য অধ্যাদেশ জারি

ই-সিগারেট, ভেপ, পাশাপাশি সব ধরনের ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট, কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতায় মোড়ানো বিড়ি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়েছে। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই অধ্যাদেশটি অনুমোদন পায়, যা আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে সহ-সাক্ষরিত। এই নতুন নিদের্শনা ২০০৫ সালে গৃহীত