ঢাকা | বুধবার | ২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

খেলাধুলা

মুখ ঢেকে কথা বলায় লালকার্ড—মিগেল আলমিরনকে এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা

চলতি বিশ্বকাপে চালু হওয়া নতুন নিয়মেই প্রথমবার লাল কার্ড ও নিষেধাজ্ঞার শিকার হলেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার মিগেল আলমিরন। ফিফা মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছে, তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচে মুখ ঢেকে কথা বলার ঘটনায় আলমিরনকে এক ম্যাচের জন্য মাঠের বাইরে রাখা হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। নিয়ম অনুযায়ী, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে কোন খেলোয়াড় যদি মুখ ঢেকে প্রতিপক্ষ বা রেফারির কাছ থেকে কথাবার্তা

ফিফা: ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখে না, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে বাঁচে’

ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ না থাকলেও দেশের মানুষ ওই টুর্নামেন্টে বাঁচে — এমনটাই বোঝাচ্ছে বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের উন্মাদনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে ছোট অলিগলি ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, মিছিল এবং বিশাল পতাকা দেখা যায়; এই সব দৃশ্য এখন ডিজিটালের দরুন সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও বাংলাদেশের এই ফুটবল উন্মাদনা গুরুত্ব সহকারে কভার করে। চলমান বিশ্বকাপেও সারাদেশ ফুটবল

ফিফার পোস্ট: ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখে না, বিশ্বকাপে বাঁচে’

নির্বাচিত না হওয়ার পরও বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে উন্মাদনা থেমে থাকে না। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে মহানগরীর অলিগলি, গ্রামের চায়ের আড্ডা থেকেই প্রত্যন্ত অঞ্চল — সবখানেই মানুষ বিভিন্ন দলের জন্য ঠাঁই করে আনন্দ পালন, মিছিল এবং বিশাল পদ্মফুলের মতো পতাকা নিয়ে উৎসব করে ওঠে। আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কল্যাণে এসব মুহূর্ত এখন সারা বিশ্বেও ছড়িয়ে পড়ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও বাংলার এই ফুটবল উন্মাদনাকে

মুখ ঢেকে কথা বলায় লাল কার্ড—মিগেল আলমিরন এক ম্যাচে নিষিদ্ধ

চলতি বিশ্বকাপে চালু হওয়া নতুন নিয়মের আওতায় মুখ ঢেকে নিজেদের কথোপকথন লুকিয়ে রাখাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ম্যাচ কর্মকর্তারা ঘটনার পর পর্যালোচনা করে এটিকে গুরুতর মানেন এবং প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার মিগেল আলমিরনকে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই নিয়মে দোষী সাব্যস্ত করে লাল কার্ড দেখান। ফিফা তাকে এক ম্যাচের নির্বাসন দিয়েছে এবং এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না। ঘটনাটি

রোনালদোর কীর্তি — পর্তুগাল ৫-০য়ে উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে দিল

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো নতুন ইতিহাস গড়লেন—হিউস্টনে এক জয়ের দিনে তিনি প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়েছেন এবং পাশাপাশি পর্তুগালের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতার পদও দখল করেছেন। রোনালদোর দুই গোলে এবং টিমের সম্মিলিত আক্রমণে পর্তুগাল উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে হারিয়ে নকআউটে ওঠার পথে বড় ধাপ নিল। ম্যাচের শুরু থেকেই পর্তুগাল আক্রমণে ছিল সক্রিয়। প্রথম কয়েক মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেস এবং

এম্বাপের জোড়া গোলেই নকআউট নিশ্চিত করলো ফ্রান্স

কিলিয়ান এমবাপের জোড়া গോളের ওপর ভর করে ফ্রান্স ৩-০ গোলে ইরাককে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে। ম্যাচে কৌতুকের মতো এক সিঙ্গেল দৌড়ে হ্যাটট্রিক মিস করলেও তার দুইটি গোলই দলের জন্য গুরুত্ব রাখে। প্রথমার্ধে শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচে পা জড়িয়ে রেখে ১৪ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন এমবাপে। একটি শট ক্লিয়ার করতে না পারায় ডিফেন্ডারের ভুল পরে বল পেয়ে বলটি অলিসের পাস

এম্বাপের জোড়া গোল, ফ্রান্স নকআউটে নিশ্চিত

কিলিয়ান এমবাপে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে ৩-০ ব্যবধানে জয় এনে দিয়েছেন এবং এক ম্যাচ হাতে রেখেই বিশ্বকাপের শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছেন। ম্যাচে এমবাপের একটি সুযোগ হ্যাটট্রিকে রূপ নিতে পারেনি—একটি দারুণ দৌড়শেষে তার শট ক্রসবারে লেগে মাঠের বাইরে চলে গিয়েছিল—তবু তার দুটি গোলই ফরাসিদের জন্য যথেষ্ট ছিল। শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচে আজ ১৪ মিনিটে প্রথম গোল করে ম্যাচে এগিয়ে দেন এমবাপে। একটি

গ্রুপ সেরা আর্জেন্টিনা: নকআউট পর্বে প্রতিপক্ষ কারা হতে পারে?

অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা আগেই শেষ-৩২ নিশ্চিত করে ফেলেছিল। এখন কেবল গ্রুপ সেরা হওয়ার সমীকরণ মেলানো বাকি ছিল — সেটিও মিটেছে। একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে আলজেরিয়ার কাছে জর্ডানের হারায় ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকায় উঠে এসেছে আলবিসেলেস্তে। গ্রুপ সেরা হওয়ার পর থেকে নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। টুর্নামেন্টের ড্র অনুযায়ী ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন শেষ-৩২-এ খেলবে ‘এইচ’ গ্রুপের

এম্বাপের জোড়া, ফ্রান্স নকআউটে — হ্যাটট্রিক ছুঁয়ে খরা

কিলিয়ান এমবাপে এক দারুণ জোড়ারই সুবাদে ফ্রান্সকে নকআউটে পাঠালেন। ম্যাচের শেষার্ধে প্রতিপক্ষ অর্ধ থেকে বেরিয়ে দুই ডিফেন্ডার ছুঁড়ে পাশ করলেন, সামনে কেবল গোলরক্ষক—একটু বামে ভাঁজ নিয়ে শট নিলেন, তবে বল গোলবারের ওপরে দিয়ে মাঠের বাইরে চলে যায়; ফলে হ্যাটট্রিক আর হল না। শুধু এমবাপের কাজেই নয়, সমগ্র দলের সংগ্রামেও ফ্রান্স জয়ী হয়ে ইরাককে ৩-০ গোলে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে

গ্রুপসেরা আর্জেন্টিনার নকআউট প্রতিপক্ষ কী হতে পারে?

আস্ট্রিয়াকে হারিয়ে আগেই ফাইনাল-৩২ নিশ্চিত করেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর শুধু ছিল গ্রুপের শীর্ষস্থান ছিনিয়ে নেওয়ার অপেক্ষা — আর সেটাও এখন সম্পন্ন। একই গ্রুপের আরেক ম্যাচে জর্ডান যখন আলজেরিয়ার কাছে হারলো, তখন ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আলবিসেলেস্তের স্থান নিশ্চিত হয়ে গেল। গ্রুপসেরা হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী আর্জেন্টিনা শেষ-৩২ এ ‘এইচ’ গ্রুপের রানার্স-আপের মুখোমুখি হবে। এই মুহূর্তে ওই দ্বিতীয় স্থানে আছে উরুগুয়ে, তাই আপাতত