ঢাকা | শুক্রবার | ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

অর্থনীতি

১৭টি ব্যাংক লোকসানে, সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেক কমেছে

২০২৪ সালে দেশের বীমা-ব্যাংকিং খাত একটি কষ্টকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে—বছরজুড়ে আর্থিক চাপের ফলে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা করতে পারেনি এবং মুনাফা করা ব্যাংকগুলোরও আয় প্রত্যাশার চেয়ে বেশ কমেছে। তার প্রভাব সরাসরি পরিলক্ষিত হয়েছে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) ব্যয়ে; ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ সিএসআর সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণে বলা হয়েছে যে ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) সময়কালে দেশের ৬১টি বাণিজ্যিক

প্রথম ৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়ালো দুই লাখ সাত হাজার কোটি টাকা

রপ্তানির তুলনায় আমদানি দ্রুতবেগে বাড়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অনুষঙ্গী পণ্যের দাম বাড়ায় চলতি অর্থবছর (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে দেশের পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি বাড়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ ব্যালান্স অব পেমেন্ট (বিওপি) প্রতিবেদনে দেখা যায়, এই সময়ের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে এক হাজার ৬৯১ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় দুই লাখ সাত হাজার কোটি টাকার বেশি। গত অর্থবছরের একই সময় এই

১৭ ব্যাংক লোকসানে, সিএসআর খাতে ব্যয় প্রায় অর্ধেক কমেছে

২০২৪ সালে বাংলাদেশের ব্যাংক খাত এক বড় আর্থিক ধাক্কার মুখে পড়ে; বছরজুড়ে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। আর্থিক চাপের এ ছিটকায় কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয়ও ব্যাপকভাবে কমে আসে। রোববার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর সংক্রান্ত প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) হিসাবসময়ে দেশের ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংক সিএসআর খাতে মাত্র

১৭টি ব্যাংক লোকসানে, সিএসআরে ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমেছে

২০২৪ সালে বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এক কঠিন বছর পার করল—বহু ব্যাংক আর্থিক চাপের মুখে পড়ে এবং সিএসআর খাতে ব্যয়ও নাটকীয়ভাবে কমেছে। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রিপোর্ট করা ওই সময়ে ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংক সিএসআর খাতে মোট মাত্র ৩৪৫ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। আগের বছরের তুলনায় এটি প্রায় ২৭০ কোটি ৯১ লাখ টাকা বা প্রায় ৪২

৮ মাসে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি দ্বিগুণ: দুই লাখ কোটি টাকার ওপরে

চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে বাংলাদেশে পণ্যের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৬৯১ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকার ওপরে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই ঘাটতি ছিল ১,৩৭১ কোটি ডলার। এসব তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যালান্স অব পেমেন্ট (বিওপি) হালনাগাদ প্রতিবেদন। প্রধান কারণগুলোতে রয়েছে আমদানি বৃদ্ধি ও বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি। কেন্দ্রীয়

জিডিপির প্রবৃদ্ধি ফের নিম্নমুখী

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার পুনরায় কমতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অক্টোবর-ডিসেম্বরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.০৩ শতাংশ, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় কম। গত জুলাই-সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৪.৯৬ শতাংশ, এবং বছরের প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৪.৯৬ শতাংশ। এর আগে, গত অর্থবছরে একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৫ শতাংশ। এই

অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা: ৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়ালো দুই লাখ কোটি টাকা

চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ বর্তমানে ১ হাজার ৬৯১ কোটি ডলার বা অন্য ভাষায় প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে,

যুদ্ধপরিস্থিতির অব্যাহত থাকলে মূল্যস্ফীতি ১২% ছাড়িয়ে যেতে পারে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতিতে গুরতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ডলার মোকাবেলায় টাকার মান অপ্রত্যাশিতভাবে কমবে এবং জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হবে। এই প্রভাবগুলো মিলিত হয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের বর্তমান হার থেকে গিয়ে ১২ শতাংশের বেশি পর্যন্ত উঠতে পারে। এর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও চাপ বাড়বে, কারণ আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির

সোনার দাম ভয়াবহ লাফ, ভরিতে ৬,৫৯০ টাকা বৃদ্ধি

দেশের বাজারে আবারো বেড়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। নতুন এই মূল্য আজ থেকেই কার্যকর হবে। বাজুসের এই সিদ্ধান্তের পিছনে স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের

২০২৪ সালে ব্যাংকখাতে লোকসান ও সিএসআরে হ্রাস

২০২৪ সালে দেশের ব্যাংক খাতের জন্য এক কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং বছর ছিল। অর্থনৈতিক অস্থিরতা, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং বিভিন্ন আর্থিক সংকটের কারণে বেশ কটি ব্যাংকই নিট মুনাফা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। সাফল্য অর্জনকারী ব্যাংকগুলোও প্রত্যাশিত মাত্রায় লাভ করতে পারেনি। এর ফলে দেশের কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতেبان্কগুলোর ব্যয় অনেকখানি কমে গেছে, যা আগের বছরের তুলনায় মাত্র অর্ধেকের কাছাকাছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত