ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

অর্থনীতি

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার কিনল

চলতি বছর বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের বা রেমিট্যান্সের মাত্রা খুবই উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বিপুল অর্থের প্রবাহের কারণে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত পরিমাণে ডলার জমা হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং বিদেশি মুদ্রার চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে ডলার কিনছে। সম্প্রতি এই ধারাবাহিক ক্রমে রোববার তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১১ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

টানা আট দফা বৃদ্ধির পরে সোনার দাম কমলো

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘ চার মাসে টানা আট দফা সোনার দাম বৃদ্ধির পর অবশেষে দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বাজুসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন দাম ৩০ ডিসেম্বর থেকে

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবার কমল

সরকার সম্প্রতি আবারও জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত সঞ্চয় পরিকল্পনাগুলোর মুনাফার হার হ্রাস করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার হবে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য হলো, গত জুলাই মাসেও মুনাফার হার কমানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে, যা ১ জানুয়ারি

বছরের প্রথম দিনে সোনার দাম ভরিতে কমলো ১৪৫৮ টাকা

নতুন বছর শুরুর দিনে দেশজুড়ে আবারও কমেছে সোনার দাম। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম কমে গেছে ১,৪৫৮ টাকা। এর ফলে এখন এই মানের সোনার নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২২২,৭২৪ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বেশি মানের সোনার দাম কমার ফলে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন দাম ২

ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে গণনা)। এটি নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের পরিমাণ। এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে রেমিট্যান্সে ছিলো ৩২৯

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার কিনেছে

চলতি বছর বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া গেছে, যার কারণে ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত ডলার জমা হয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডলার কিনে যাচ্ছে। রোববার তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১১ কোটি ডলার কেনা হয়েছে, যা মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ছিল প্রতি

টানা ৮ দফা বৃদ্ধির পর সোনার দাম কমল

বাংলাদেশের বাজারে গত কিছুদিনে টানা আট দফা সোনার দাম বাড়ার পর অবশেষে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে, দেশের অন্যতম জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে নতুন দামে সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দামে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম হবে ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। আজ (২৯ ডিসেম্বর) সোমবার রাতে

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবার কমাল সরকার

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত বিভিন্ন সঞ্চয় কর্মসূচির মুনাফার হার পুনরায় কমানো হলো। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার সেটি হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার নির্ধারিত হয়েছে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এর আগে গত জুলাই মাসেও এই হারগুলো কমানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

বছরের শুরুতেই সোনার ভরির দাম কমল ১৪৫৮ টাকা

নতুন বছরের প্রথম দিনেই দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও কমেছে। বিশেষ করে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা। ফলে, এখন থেকে একটি ভরি সোনার নতুন দাম হবে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এই দাম নির্ধারণের জন্য স্থানীয় বাজারে নতুন দর কার্যকর করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, শুক্রবার, ২

ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

দিন দিন দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায়, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে দেশে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এ পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে হিসাব করে), যা নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড। এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯