ঢাকা | বুধবার | ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

অর্থনীতি

ঈদের আগেই ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে দেশের স্থানীয় বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের মূল্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দামের বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে প্রতি ভরিতে ২,১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২,৩৮,১২১ টাকা হয়েছে। বাজুস সোমবার (২৫ মে) সকালে একটি বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করে। সংস্থাটি জানিয়েছে এ নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। প্রতি

ঈদের আগেই পুনরায় বাড়ল স্বর্ণের দাম

পবিত্র ঈদুল আজহার আগেভাগেই দেশি বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার জানায়, তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় প্রতি ভরিতে ২,১৫৮ টাকা করে দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ২,৩৮,১২১ টাকা। বাজুস সোমবার (২৫ মে) সকালে একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দামের কথা ঘোষণা করে এবং জানিয়েছে, দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর

তিন মাসে খেলাপি ঋণ বাড়ল ৩১,৪৮৮ কোটি টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত তিন মাসে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বেড়েছে। ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা; মার্চে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায় — অর্থাৎ তিন মাসে বাড়ি হয়েছে ৩১,৪৮৮ কোটি টাকা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই সময়ে খেলাপি ঋণের হারও বাড়েছে — গত তিন

তিন মাসে খেলাপি ঋণ বাড়ল ৩১,৪৮৮ কোটি টাকা

ব্যাংক খাতে খেলাপি (এনপিএল) ঋণ আবার বাড়ছে — গত তিন মাসে তা বেড়েছে ৩১,৪৮৮ কোটি টাকায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরের শেষেই খেলাপি ঋণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা। মার্চ শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। ওই সময় খেলাপি হার পেছানোয়ের বদলে ১

ঈদের আগেই ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

পবিত্র ঈদুল আজহার মুখে দেশের স্থানীয় বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরির দাম now দাঁড়িয়েছে ২,৩৮,১২১ টাকা। বাজুস সোমবার (২৫ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন মূল্য সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

ঈদের ঠিক আগেই আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম

পবিত্র ঈদুল আজহার ঠিক আগেই দেশের বাজারে আবারো বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর বড়হারে মূল্য বৃদ্ধির কারণে প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা করে দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। বাজুস সোমবার, ২৫ মে সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করে এবং জানিয়েছে

তিন মাসে খেলাপি ঋণ বাড়ল ৩১,৪৮৮ কোটি টাকা

ব্যাংক খাতে খেলাপি (নন-পারফর্মিং) ঋণ আবার বাড়েছে — গত তিন মাসে খেলাপি ঋণ ৩১,৪৮৮ কোটি টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা; আর মার্চ শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। এর ফলে নন-পারফর্মিং লোনের পরিমাণ তিন মাসে

ঈদের আগে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম

পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্যের বাড়তি চাপের কারণে প্রতি ভরিতে ২,১৫৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন দাঁড়িয়েছে ২,৩৮,১২১ টাকা। বাজুস সোমবার (২৫ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে এবং জানায়, এই দাম সকাল ১০টা

তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা

বুধবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত তিন মাসে ব্যাংক খাতে খেলাপি (এনপি‌ও) ঋণের পরিমাণ বেড়ে মোট ৩১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ডিসেম্বরে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা। আর মার্চের শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। তিন মাসে খেলাপি ঋণের

তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৮ কোটি

আবারও বাড়লো ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ৩১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে ব্যাংকখাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা। মার্চের শেষ পর্যায়ে সেটি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ত্রৈমাসিকে খেলাপি ঋণই বাড়ল এই পরিমাণে।