ঢাকা | সোমবার | ১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

অর্থনীতি

অর্থমন্ত্রী: বিনিয়োগ বাড়ালে দেশ এগোবে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে। তিনি এই মন্তব্য করেন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর শনিবার (৪ জুলাই) নিজ জেলা চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে। মন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো এবং আগামী দুই বছরের মধ্যে অর্থনৈতিক সক্ষমতায় দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন

অর্থমন্ত্রী: বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করলে বাংলাদেশ দ্রুত এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোতে পারে। তিনি শনিবার (৪ জুলাই) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা হওয়ার পর নিজ শহর চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের অর্থনীতিকে আরও দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে কাজ করছে এবং আগামী দুই বছরের মধ্যে

চার ফাইন্যান্স কোম্পানিকে শেষ সুযোগ, তিন মাসে সংস্কার না হলে রেজল্যুশন

টানা ক্ষতির কারণে অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের বোঝায় জর্জরিত চারটি আর্থিক সংস্থাকে পুনরুদ্ধারের জন্য শেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সদ্য প্রণীত ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শর্তসাপেক্ষে আগামী তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে তারা টিকতে পারবে, না হলে কেন্দ্রীয় банк রেজল্যুশনের কঠোর কাঠামো কার্যকরে আনবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা

চার ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানকে তিন মাসের শেষ সুযোগ, ব্যর্থ হলে রেজল্যুশন চালু

টানা লোকসান, অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত দেশের চার ফাইন্যান্স কোম্পানিকে পুনরুদ্ধারের জন্য শেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুনভাবে পাশ হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ অনুসারে এসব প্রতিষ্ঠানকে শর্তসাপেক্ষে তিন মাসের সময় দেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় মূলধন যোগ করা, খেলাপি ঋণ আদায় ও নিয়ন্ত্রিতভাবে সাধারণ গ্রাহকদের আমানত ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ

অর্থমন্ত্রী: বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শনিবার (৪ জুলাই) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর নিজ শহর চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্ত ভিতে দাঁড় করানো। আগামী দুই বছরের মধ্যে অর্থনৈতিক সক্ষমতায় আরও

বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে। শনিবার (৪ জুলাই) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর প্রথমবারের মতো নিজ শহর চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, সরকারের প্রধান লক্ষ্য দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তপোক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো। আগামী দুই বছরের মধ্যে

চার ফাইন্যান্স কোম্পানিকে শেষ সুযোগ; ব্যর্থ হলে রেজল্যুশন

টানা লোকসান, অনিয়ম ও খেলাপি ঋণের বোঝায় দিশাহীন চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংক শেষ সুযোগ দিয়েছে। সদ্য পাশ হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানকে শর্তসাপেক্ষে আগামী তিন মাস সময় দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলিকে নতুন মূলধন জোগান, খেলাপি ঋণ আদায় ও পুনর্গঠন এবং সাধারণ গ্রাহকদের আমানত ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে হবে। এই শর্তের মধ্যে পড়বে

অর্থমন্ত্রী: বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশটি এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে—এমনটি অর্জনের জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও স্থির নীতি বাস্তবায়ন প্রয়োজন। শনিবার (৪ জুলাই) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর নিজ শহর চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো এবং

শেষ সুযোগ পেল চার ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠান, ব্যর্থ হলে রেজল্যুশন

টানা লোকসান, অনিয়ম এবং খেলাপি ঋণের বোঝায় জর্জরিত দেশের চার ফাইন্যান্স কোম্পানিকে পুনরুদ্ধারের শেষ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুনভাবে পাশ হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শর্তসাপেক্ষে আগামী তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে; এই সময়ের মধ্যে চাহিদা পূরণ না হলে কঠোর রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

কেন্দ্রীয় ব্যাংক দিল চার ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানে তিন মাসের শেষ সুযোগ

টানা লোকসান, অনিয়ম ও উচ্চ খেলাপি ঋণের বোঝায় জর্জরিত দেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের জন্য তিন মাসের ‘শেষ সুযোগ’ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন প্রণীত “ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬”-এর আওতায় শর্তসাপেক্ষে এই সময়সীমা দেয়া হয়েছে বলে বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে। ব্যাংক রেজল্যুশনের এই বিশেষ সময় পেয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড