ঢাকা | সোমবার | ১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

খেলাধুলা

কোয়ার্টার পেরিয়ে সেমিফাইনালে উঠতে এগিয়ে থাকা চার দল

৪৮ দলীয় বিশ্বকাপে এখন কেবল আটটি দল বাকি। শেষ চারে ওঠার লড়াইয়ের জন্য এই আট দল কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে। কোয়ার্টার লাইন‑আপে ইউরোপের আধিপত্য স্পষ্ট — আট দলের মধ্যে ছয়টি দলই ইউরোপের, বাকি দুটো দল দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও আফ্রিকার মরক্কো। ফুটবল ডেটা অ্যানালাইসিস প্রযুক্তি ‘অপ্টা সুপারকম্পিউটার’ তাদের গাণিতিক বিশ্লেষণে কোন দলগুলো সেমিফাইনালে পৌঁছাতে বেশি সম্ভাবনা রাখে তা ঘোষণা করেছে।

আর্জেন্টিনা–মিশর ম্যাচে বিতর্ক: ফিফার প্রধান রেফারির স্পষ্ট ব্যাখ্যা

চলমান বিশ্বকাপের কিছু ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তকে ঘিরে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে। তার মধ্যে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার সঙ্গে মিশরের ম্যাচটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে। মিশর আগের দিকে ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ এগিয়ে থাকলেও লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা দারুণ কমব্যাক করে ৩-২ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নায়। ম্যাচে মিশরের একটি গোল বাতিল এবং কিছু সম্ভাব্য ফাউল নাকচ হওয়ায় মিশরের কোচ হোসাম হাসান ও

এপিপি’তে এক সিদ্ধান্তে বদলে গেল ম্যাচ — মিশরের দ্বিতীয় গোল বাতিল

একটি সিদ্ধান্তই বদলে দিল ম্যাচের ভঙ্গিমা। মিশরের জালে আসা দ্বিতীয় গোলে মুহূর্তের উল্লাস ভengera দিল ভিএআর। কয়েক সেকেন্ড আগের একটি ফাউল দেখতে পেয়ে হলো সেই গোল বাতিল — এবং ঠিক সেই 판단টি পুরো ম্যাচের ভাগ্য পালটে দিল। ঘটনাটি ঘটেছিল এমন এক সময়ে যখন স্টেডিয়াম মিশরের দেয়ায় ওঠা গোল উদযাপনে ডুবে ছিল। তবে উল্লাস শুরু হতে ক’ক্ষণ না, রেফারি মনিটরের সামনে

টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে হারিয়ে কোয়ার্টারে সুইজারল্যান্ড

ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে নাটকীয় এক লড়াই শেষে টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে ৪–৩ হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটে উঠেছে সুইজারল্যান্ড। নিয়মিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময় জুড়ে গোলহীন ড্র থাকায় জয় নির্ধারিত হয় পেনাল্টি শুটআউটে, আর সেই চাপ থেকে উত্তরে থাকেন সুইসরা। ম্যাচটি শুরু থেকেই কড়া ও প্রতিরক্ষায় গড়া ছিল। প্রথমার্ধে কলম্বিয়া সামান্য আধিপত্য দেখালেও ফ্রান্স-চমৎকার গ্রেগর কোবেলের সামনে কোনো শট গোলে পরিণত করতে

এক সিদ্ধান্তে বদলে গেল ম্যাচ — কীভাবে কাজ করে ‘এপিপি’ নিয়ম?

ফুটবল ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে অনেক সময় লাগে না—একটি সিদ্ধান্তই সেটি করতে পারে। এ ম্যাচেও ঠিক তেমনই ঘটল: যখন মিশর ২-০ এগিয়ে যাওয়ার আনন্দে মুহূর্ত পরেই মেতে উঠেছিল, তখনই নীরব নায়ক ভিএআর আগামি ক্রম ভেঙে দিলো। ঘটনাটি ঘটেছিল আর্জেন্টিনার জালে দ্বিতীয় গোল হওয়ার কিছু সেকেন্ড পর। মাঠে সবাই উদযাপনে মেতে উঠলে রেফারি মনিটরে ডেকে ভিএআর রিপ্লে দেখেন। রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা

টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি সুইজারল্যান্ড

ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর টাইব্রেকারেই কলম্বিয়াকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো সুইজারল্যান্ড। নিয়মিত সময় ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে গোলশূন্য ড্র হয়ে যাওয়া ম্যাচে পেনাল্টি শুট‑আউটে ৪–৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় লাল-সাদারা দলটি। তাদের পরের প্রতিপক্ষ হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা; ১২ জুলাই কানসাস সিটিতে শতকরা এক কোর্তে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে দেখা হবে তাদের। নিয়মিত ৯০ এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও

‘বিপণনের স্বার্থে মেসিকে বিশ্বকাপে রাখতে চায়’—বিস্ফোরক অভিযোগ মিসর কোচ হোসাম হাসানের

আটলান্টায় শেষ-১৬ থেকে বিদায় নিয়েছে মিসর। ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩–২ হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে আফ্রিকান দলটির। পড়ন্ত সময়ে ম্যাচটা বদলে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ম্যাচের রেফারিংকে মূলত দায়ী করেছেন মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তিনি এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে লিওনেল মেসিকে টুর্নামেন্টে আগিয়ে রাখার চেষ্টা থাকতে পারে—এটিও হয়তো বিপণনের অংশ। ম্যাচ শেষে হোসাম বলেন, “আমার একটা গোল বাতিল করা

টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে হারিয়ে কোয়ার্টারে সুইজারল্যান্ড, পরের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা

কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে অতিরিক্ত সময়ের পর টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে ৪–৩ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সুইজারল্যান্ড। ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে গোলে নির্ধারণ না হওয়ার পর শাস্তি এক হতভাগ্য কলম্বিয়া, আর সুইসরা পেল অ্যারেনায় পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে আর্জেন্টিনাকে মোকাবেলার সুযোগ। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে উভয় দলই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টা করলেও কোনো দলেরই গোল হয়নি। প্রথমার্ধে কলম্বিয়া খানিকটা আধিপত্য

শেষ মুহূর্তের নাটকে কেঁদে ফেললেন মেসি, এমন প্রত্যাবর্তন আগে পায়নি আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের শেষ-১৬ খেলায় মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে এল আর্জেন্টিনা। ম্যাচে এক পর্যায়ে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ ১১ মিনিটে তিনটি গোল করে তারা অসামান্য প্রত্যাবর্তন দেখাল — এবং সেই নাটকীয় মুহূর্তে আবেগে ভেঙে পড়লেন দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি। খেলাটা মেসির জন্য সহজ ছিল না। প্রথমার্ধেই বারবার সুযোগ সৃষ্টি করলেও তিনি একটি পেনাল্টি শেষ করতে ব্যর্থ হন। এরপর

২–০ থেকে ৩–২: অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে শেষ আটে আর্জেন্টিনা

সবকিছু যেন শেষ হয়ে গিয়েছিল—স্কোর ২–০, সময় এগিয়েছে ৬৭ মিনিটে। প্রথমার্ধে লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিস, আর মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর ছিলেন অবরোধের প্রতীক। সেই মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিদায় নির্ধারিত মনে হচ্ছিল। কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের গল্প সহজে লেখা হয় না। অ্যাটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রাউন্ড অব ১৬-এর লড়াইয়ে লিওনেল স্কালোনির দল ইতিহাস রচনায় সক্ষম হল—২–০ থেকে মাত্র ১৩ মিনিটে তিন গোল করে ৩–২ রান