ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

অর্থনীতি

তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৭৩৪ জন

বাংলাদেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের তুলনায় জুনে এই সংখ্যায় দেখা গেছে অন্তত ৫ হাজার ৯৭৪টি বৃদ্ধি। এরপর অর্থাৎ জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ৭৩৪টি নতুন কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যোগ হয়েছে। যদিও কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়লেও জমা অর্থের পরিমাণ কিছুটা কমে গেছে। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন শেষের হিসাব অনুসারে ব্যাংকগুলোতে মোট অ্যাকাউন্ট ছিল

সোনার দাম ভরিতে বাড়লেন ৩৪৫৩ টাকা

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম, যা মোটেই ছোট পরিবর্তন নয়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) ঘোষণা অনুযায়ী, ভরিতে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। তাতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে দুই লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকায়, যা আগের値 ছিল দুই লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকায়। নতুন দাম তাৎক্ষণিকভাবে আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে জানানো হয় এবং এটি

দেশ ও বিদেশে ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

বিদেশে পাচারকৃত অর্থের বিশাল এক অংশ উদ্ধার করতে দেশের আদালত ও আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিসহ বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এর সঙ্গে আরও ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি যুক্ত করে মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ এখন সংযুক্ত এবং অবরুদ্ধ রয়েছে। এই

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দাম নির্ধারণ

দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় সোনার দামের উর্ধ্বগতি চলল। ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা, যা এখন পর্যন্ত সব চেয়ে বেশি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে। নতুন এই দাম সোমবার (২২ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে। বাজুস জানিয়েছে,

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনেছে ১৩ ব্যাংকের কাছ থেকে

চলতি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রবাসীদের কাছ থেকে বৈদেশিক আয় (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলस्वরূপ ব্যাংকগুলোতে ডলার উদ্বৃত্তের অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং দেশের মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আজ (সোমবার) ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে মোট ১৪ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে। মুল্য নির্ধারণে একাধিক দামে বিক্রির (এমপিএ) পদ্ধতিতে চলে এই ডলারের ক্রয়, যেখানে

নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও নভেম্বরে আবার তা বৃদ্ধি পেয়ে অবস্থান করল ৮.২৯ শতাংশে। এর আগে অক্টোবরে এই হার ছিল ৮.১৭ শতাংশ এবং গত বছরের নভেম্বরের তুলনায় এটি কম ছিল ১১.৩৮ শতাংশ। আজ রোববার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ সংক্রান্ত এক বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ৭.৩৬ শতাংশ, আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪ জন বেড়েছে

দেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি গ্রাহকের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের তুলনায় জুনে এই সংখ্যায় ৫ হাজার ৯৭৪টি নতুন হিসাব যোগ হয়। এরপর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে আরও ৭৩৪টি নতুন কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যুক্ত হয়েছে। তবে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়লেও একই সময়ে জমা টাকার মোট পরিমাণ কমেছে বিবেচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন

সোনার দাম ভরিতে বেড়ে ৩৪৫৩ টাকা

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে, যা শোনার জন্য উৎসুক বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত্রে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা। এর আগে এই দামে ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৪ টাকা। এই নতুন

দেশ ও বিদেশে মোট ৬৬১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ স্বরাষ্ট্র, অর্থোপার্জন ও তা নিষ্কাশনের জন্য দেশের বিভিন্ন সম্পদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এই বহুমুখী প্রতিরোধ কার্যক্রমে গত বুধবার দেশে তথা বিদেশে মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ এরইমধ্যে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা এবং বিদেশে ১০

১৩ ব্যাংকের কাছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিনলো মোট ১৪ কোটি ডলার

চলতি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। এর ফলস্বরূপ ব্যাংকগুলোতে ডলারের অতিরিক্ত প্রকৃতি সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে, বৈদেশিক মুদ্রার যোগান ও চাহিদার ঠিক স্থান যেখানে থাকবে, এবং মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১৪ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে এই ক্রয় সম্পন্ন হয়, যেখানে ডলারের