ঢাকা | মঙ্গলবার | ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

অর্থনীতি

লোকসানে ১৭ ব্যাংক, সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নামল

২০২৪ সালে দেশের ব্যাংক খাত কঠিন বাস্তবতার মুখে পড়ে: বছরজুড়ে আর্থিক চাপের কারণে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। তারই প্রভাব পরস্পরেই পড়েছে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে — বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংক ২০২৫ সালে সিএসআর খাতে মাত্র ৩৪৫ কোটি

সোনার দাম বড় রকমের বৃদ্ধি, ভরিতে বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টাকা

দেশের বাজারে আবারো বড় ধরনের বৃদ্ধি পেয়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, আগামী থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। ভরিতে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টাকার বেশি যোগ হয়ে এখন এক ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে আসন্ন বাজেট ও বাজার পরিস্থিতির পর্যালোচনায় এ সিদ্ধান্ত জানানো

জিডিপির প্রবৃদ্ধি আবার নিম্নমুখী

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের মোট জিডিপির বৃদ্ধি আবার কমে গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবর-ডিসেম্বরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৩.০৩ শতাংশ, যা আগে গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে ছিল ৪.৯৬ শতাংশ। এর আগে, গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৫ শতাংশ। এই দুই সময়ের তুলনায় অর্থনীতির উন্নয়ন ধীর হয়ে এসেছে। এতে বোঝা যায় যে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি আবার

২০২৪ সালে ব্যাংক খাতে লোকসান ও সিএসআর ব্যয়ের ধারাবাহিক হ্রাস

২০২৪ সাল বাংলাদেশের ব্যাংক শিল্পের জন্য ছিল একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ বছর। অর্থনৈতিক অস্থিরতা, রাজনৈতিক হিংসা-অশান্তি এবং ব্যাংকিং খাতে বিভিন্ন অন্যায্য স্বেচ্ছাচারিতা এই শিল্পের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। বছরজুড়ে বেশ কিছু ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এমন পরিস্থিতিতে তাদের কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

৮ মাসে বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়ালো দুই লাখ কোটি টাকা

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ নানা পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দেশের বাণিজ্য ঘাটতি এখন দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা বা ১ হাজার ৬৯১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের এই সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। detailed তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে

যুদ্ধের অব্যাহত থাকলে মূল্যস্ফীতি ১২% ছাড়াতে পারে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতির উপর নেতিবাচक প্রভাব আরও কঠোরভাবে আঘাত হানবে। এর ফলে ডলারপ্রতিরোধে টাকার মান কমে যাবে, এবং জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। এই দুই চ্যালেঞ্জ দেশের মূল্যস্ফীতির হার ডিসেম্বরের মধ্যে বর্তমানে ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ১২ শতাংশের কাছাকাছি চলে যেতে পারে, পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও চাপ বাড়বে। বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতিতে দেশের বৈদেশিক

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়ালো ২ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা

চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি থাকায় দেশে পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি বেড়ে এক হাজার ৬৯১ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটি বাংলাদেশি টাকায় প্রায় দুই লাখ সাত হাজার কোটি টাকার বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে ওই ঘাটতি ছিল এক হাজার ৩৭১ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ ব্যালান্স অব পেমেন্ট (বিওপি) প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা এবং

১৭টি ব্যাংক লোকসানে, সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেক কমেছে

২০২৪ সালে দেশের বীমা-ব্যাংকিং খাত একটি কষ্টকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে—বছরজুড়ে আর্থিক চাপের ফলে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা করতে পারেনি এবং মুনাফা করা ব্যাংকগুলোরও আয় প্রত্যাশার চেয়ে বেশ কমেছে। তার প্রভাব সরাসরি পরিলক্ষিত হয়েছে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) ব্যয়ে; ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ সিএসআর সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণে বলা হয়েছে যে ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) সময়কালে দেশের ৬১টি বাণিজ্যিক

প্রথম ৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়ালো দুই লাখ সাত হাজার কোটি টাকা

রপ্তানির তুলনায় আমদানি দ্রুতবেগে বাড়ায় এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অনুষঙ্গী পণ্যের দাম বাড়ায় চলতি অর্থবছর (২০২৫-২৬) প্রথম আট মাসে দেশের পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি বাড়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ ব্যালান্স অব পেমেন্ট (বিওপি) প্রতিবেদনে দেখা যায়, এই সময়ের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে এক হাজার ৬৯১ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় দুই লাখ সাত হাজার কোটি টাকার বেশি। গত অর্থবছরের একই সময় এই

১৭ ব্যাংক লোকসানে, সিএসআর খাতে ব্যয় প্রায় অর্ধেক কমেছে

২০২৪ সালে বাংলাদেশের ব্যাংক খাত এক বড় আর্থিক ধাক্কার মুখে পড়ে; বছরজুড়ে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। আর্থিক চাপের এ ছিটকায় কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয়ও ব্যাপকভাবে কমে আসে। রোববার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর সংক্রান্ত প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) হিসাবসময়ে দেশের ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংক সিএসআর খাতে মাত্র