ঢাকা | শনিবার | ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

অর্থনীতি

২০২৪ সালে দেশের ব্যাংক খাতে লোকসান ও সিএসআর ব্যয়ের সংকোচন

২০২৪ সালে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য ছিল চ্যালেঞ্জের এক কঠিন বছর। আর্থিক পরিস্থিতির অবনতি ও নানা অস্থিরতার কারণে, স্বাভাবিক মুনাফা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ১৭টি ব্যাংক। এছাড়াও, অন্য ব্যাংকগুলোও প্রত্যাশিত মাত্রায় লাভ করেনি। এর প্রভাব পড়ে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে, যেখানে ব্যয় অর্ধেকে নেমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরে ব্যাংকগুলো এই খাতে দুই শঙ্কা পূর্ণ সূচক দেখিয়েছে।

সোনার দাম ভরিতে ৬,৫৯০ টাকা বাড়লো, ২২ ক্যারেটের ভরি ২,৫২,৪০৯ টাকা নির্ধারণ

দেশের বাজারে আবারো সোনার দাম বাড়ল। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (৮ এপ্রিল) জানিয়েছে যে ভরিতে ৬,৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২,৪০৯ টাকায়। এই নতুন মূল্য আজ থেকেই কার্যকর হবে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দর বাড়ায় এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই

১৭ ব্যাংক লোকসানে, সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধে নেমে গেল

২০২৪ সালে দেশের ব্যাংক খাত একটি তীব্র বাস্তবতার সম্মুখীন হয়: বছরজুড়ে আর্থিক চাপের ফলে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা করতে পারেনি এবং বাকি ব্যাংকগুলোর আয়ও প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। এরই প্রভাব পড়েছে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে—ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর সংক্রান্ত প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে এই চিত্রটি উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে (জানুয়ারি-ডিসেম্বর)

১৭ ব্যাংক লোকসানে, সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে গেল

২০২৪ সালে দেশের ব্যাংক খাত আর্থিক মন্দার মুখে পড়ে; নিকট হিসেবেই ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা করতে পারেনি। এ আর্থিক চাপে কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব (সিএসআর) খাতে ব্যয়ও দ্রুত কমে এসেছে — বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) সময়ে ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সিএসআর ব্যয় ছিল মাত্র ৩৪৫ কোটি ৫ লাখ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ২৭০ কোটি ৯১ লাখ

সোনার দামে বড় লাফ: ভরিতে ৬,৫৯০ টাকা বেড়েছে

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে বলা হয়েছে, ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। নতুন এই দাম আজ থেকেই কার্যকর হবে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্যের ওঠানামা এবং

লোকসানে ১৭ ব্যাংক, সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমেছে

দেশের ব্যাংক খাতে ২০২৪ সালের আর্থিক সংকট ও পরবর্তী সময়ের অস্থিরতার প্রভাবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয় বড়ভাবে কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) সময়ে ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংক মিলিয়ে সিএসআর খাতে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৪৫ কোটি ৫ লাখ টাকা—আগের বছরের তুলনায় ২৭০ কোটি ৯১ লাখ টাকা বা প্রায় ৪২ শতাংশ কম। একই প্রতিবেদনে বলা

সোনার দামে বড় লাফ: ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বৃদ্ধি

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সোনার দাম ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার মূল্য নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। নতুন এই মূল্য আজ থেকেই কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দর বৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে

অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা: ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। এই উন্নতির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রগতি আরও ত্বরাণ্বিত করতে, সরকার এক মহা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে—তুলনামূলক দৃষ্টিতে স্বপ্নের মতো, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের মোট অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানো। এই ambitious লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয়

সোনার দামে বড় দিনবদল, ভরিতে সাড়ে ৬ হাজার টাকা বৃদ্ধি

দেশের বাজারে আবারো বৃদ্ধি পেল সোনার দাম। ব্যতিক্রমী এই পরিবর্তনে ভরির মূল্য প্রায় সাড়ে ৬ হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মতে, এখন থেকে একটি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। এটি জানানো হয় বুধবার (৮ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে, যা আজ থেকেই কার্যকর হবে। বাজুসের এই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ

জিডিপির প্রবৃদ্ধি আবার নিম্নমুখী

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার আবার কমে গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত নতুন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অক্টোবর-ডিসেম্বরে এই প্রবৃদ্ধির হার ৩.০৩ শতাংশ, যা আগে প্রত্যাশিত ছিল। এর আগের জুলাই-সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৪.৯৬ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ে ৩.৩৫ শতাংশের বেশি ছিল। অর্থাৎ, গত দুই প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির হার বেশ কমেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক