ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

অর্থনীতি

টানা আট দফা বৃদ্ধির পরে সোনার দাম কমলো

দেশের বাজারে দীর্ঘ আট দফা মূল্যবৃদ্ধির পর বাংলাদেশ সরকার সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এখন থেকে ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার জন্য ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন এই

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবার কমল

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন সঞ্চয় পরিকল্পনার মুনাফার হার আবারও কমিয়ে আনছে সরকার। নতুন এই হার অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার হবে ১০.৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার হবে ৮.৭৪ শতাংশ। উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসেও মুনাফার হার হ্রাসের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা ১ জানুয়ারি থেকেই

ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায়, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে দেশের বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। দেশের হিসেবে এর পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকার হিসাব অনুযায়ী)। এই হিসেবে এটি নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে রেমিট্যান্সের

বছরের প্রথম দিনেই সোনার দাম ভরিতে কমেছে ১৪৫৮ টাকা

নতুন বছরের শুরুর দিন দেশের বাজারে আবারো সোনার দাম কমেছে। বিশেষ করে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা, যার ফলে নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এই দাম পরিবর্তনটি দেশের জুয়েলার্স ও স্বর্ণবাজারে নতুন মূল্য হিসেবে কার্যকর হবে আজ থেকেই। অতীতে, ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ জুয়েলার্স

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পরিবর্তন বাতিল, আগের হারই বহাল থাকবে

সরকার সম্প্রতি সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে আগের হারগুলোকে পুনরুদ্ধার করেছে। এতে রোববার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। এর মাধ্যমে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যে হারে মুনাফা দেওয়া হচ্ছিল, আগামী ছয় মাসও সেই একই হার বজায় থাকবে। গত বৃহস্পতিবার সরকার প্রথমে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর জন্য প্রজ্ঞাপন জারি

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার কিনেছে

চলতি বছর বাংলাদেশে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ধারা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ফলে ব্যাংকগুলোতে বেশ কিছু পরিমাণ ডলার জমা হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য ফেরাতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ডলার কিনতে শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে রোববার তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১১ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

টানা ৮ দফা বাড়ার পর সোনার দাম কমলো

বিশ্ব বাজারের প্রভাব এবং দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে সোনার দামে বড় পরিবর্তন এসেছে। দেশের জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বলেছে, টানা আট দফা মূল্য বৃদ্ধির পরে এবার তারা সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফলে এখন থেকে ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হলো ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। মাননীয় বাজুসের এক

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবার কমে গেছে

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর পরিচালিত বিভিন্ন সঞ্চয় পরিকল্পনার মুনাফার হার আবারও কমিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন হার রাখা হয়েছে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। উল্লেখ্য, এ হার আবারও কমানো হয়েছে গত জুলাই মাসেও। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা ১

বছরের প্রথম দিনেই সোনার দাম ভরিতে কমল ১৪৫৮ টাকা

নতুন বছরের শুরুতে দেশের বাজারে আবারও সোনার মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। এই প্রথম দিনের ঘটনায়, বিশেষ করে ২২ ক্যারেটের সর্বোচ্চ মানের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা। ফলে এই ধরনের সোনার নতুন মূল্যে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। বাজুস (বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি) জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি সোনার দামের পরিবর্তনের জন্য নতুন দাম নির্ধারণ

ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

দিন দিন দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। এর ধারাবাহিকতায়, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। এই অঙ্কে দেশের মুদ্রায় পরিণত করলে হয় প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকাসহ)। এটি এখন পর্যন্ত নয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয়ের রেকর্ড। এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এটি