দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারো বাংলাদেশে আয়োজিত হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০২৬ সালের ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর দেশেই হবে দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের এই প্রধান টুর্নামেন্ট। आयोजকরা চূড়ান্ত সূচি এবং ভেন্যু নিশ্চিত করেছেন, ফলে ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
চ্যাম্পিয়নশিপের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে এই গ্রীষ্মে—২৫ জুলাই ঢাকায় টুর্নামেন্টের লোগো উন্মোচন করা হবে এবং ১ আগস্ট ভুটানের থিম্পুতে হবে আনুষ্ঠানিক ড্র। সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাতেল বলেন, “২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের তারিখ ও ভেন্যু ঘোষণা করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই টুর্নামেন্টটি আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান রাখে এবং এ অঞ্চলের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত দেয়।”
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সদ্য শেষ হওয়ার পর এ ঘোষণাটি আসায় দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে রোমাঞ্চ আরও বেড়ে গেছে। কাতেল জানান, “আগামী সপ্তাহ ও মাসে আমরা চ্যাম্পিয়নশিপ সম্পর্কিত বিভিন্ন কার্যক্রম, আপডেট এবং ইভেন্ট উন্মোচন করব। কাউন্টডাউন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্ত-সমর্থকরাও এই রোমাঞ্চে শামিল হবেন।”
এটি সাফ টুর্নামেন্টের ১৫তম সংস্করণ। ইতিহাসে ভারতের সাফল্য সবচেয়ে বেশি—তারা এখন পর্যন্ত নয়বার শিরোপা জিতেছে এবং সর্বশেষ দুবার (২০২১ ও ২০২৩) চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বাংলাদেশ একজন আতিথেয় জাতি হিসেবে এই টুর্নামেন্টের মঞ্চ সাজাবে; ২০২৬ এ দেশটি চতুর্থবার হোস্ট করতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত একবার সাফ শিরোপা জিতেছে—২০০৩ সালে সেই সফলতা এসেছে। টুর্নামেন্টের ইতিবাচক স্মৃতির মধ্যে ২০০৯ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারত মালদ্বীপকে হারিয়েছিল; ২০১৮ সালে আবারও ঢাকায় মালদ্বীপ ভারতকে হারিয়ে সাফ শিরোপা তুলে নিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিল।
সংক্ষেপে, ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে ঘিরে প্রস্তুতি, লোগো উন্মোচন ও আনুষ্ঠানিক ড্র-সহ একাধিক ইভেন্ট সামনে আসছে। দর্শক ও ভক্তরা এখন থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষা শুরু করেছেন ও আশা করা হচ্ছে বাংলাদেশ জমকালো ও সফল আয়োজনে অতিথি ও খেলোয়াড়দের জন্য স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করবে।




