ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

মহাসাগরে পাকিস্তান-চীনকে চাপে রাখতে সাবমেরিন শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত

ভারতীয় নৌবাহিনী মহাসাগরে পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি মোকাবিলায় নিজের সাবমেরিন সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। এ কথা শনিবার পিটিআইকে বলেছেন নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ ক. ত্রিপাঠী।

অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী পিটিআইকে বলেন, ‘‘মহাসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বহিঃআঞ্চলিক শক্তির উপস্থিতি বাড়ছে। এই পরিবর্তন আমাদের ‘সহযোগিতার যুগ’ থেকে ‘তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার যুগে’ নিয়ে যাচ্ছে, তাই আমরা পুরোপুরি সজাগ ও সচেতন।’’

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীন ও পাকিস্তানের সহযোগিতা ও যৌথ তৎপরতা বাড়ছে। এর একটি উদাহরণ হলো পাকিস্তান নৌবাহিনীতে সম্প্রতি চারটি চীনা নির্মিত ডিজেল-ইলেকট্রিক অ্যাটাক সাবমেরিন যোগ করা হয়েছে, যা গত মাসে চীন ও পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতেও স্বীকার করা হয়।

অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী আরও বলেন, ‘‘একটি পেশাদার সামুদ্রিক বাহিনী হিসেবে ভারতীয় নৌবাহিনী আশপাশের আঞ্চলিক ঘটনার নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালায়। আমাদের নীতি সম্পূর্ণরূপে সক্ষমতাভিত্তিক এবং হুমকি সচেতন।’’

নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে সরকারিভাবে গ্রহণ করা হয়েছে ‘প্রজেক্ট ৭৫ ইন্ডিয়া (পি৭৫-আই)’। ওই প্রকল্পের আওতায় শিগগিরই অত্যাধুনিক স্টেলথ প্রযুক্তিসম্পন্ন ছয়টি সাবমেরিন এবং দুই শতাধিক যুদ্ধজাহাজ নৌবাহিনীতে যুক্ত হবে, বলেছেন তিনি। এসব সাবমেরিন ও জাহাজ কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়নে নৌবাহিনীর নিজস্ব প্রকৌশল দল তৈরির তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করবে।

অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী উল্লেখ করেন, স্বনির্ভরতা আরোপ করে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোই তাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘‘আমরা আত্মনির্ভরতার নীতির ওপর জোর দিয়ে ভারতকে শক্তিশালী সামুদ্রিক ক্ষমতা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি।’’