ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

টুর্নামেন্টের আগে আমরা একাধিকবার হাত মিলিয়েছিলাম: সালমান আগা

ক্রিকেটে টসের আগে, খেলার সময় বিরতি কিংবা ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলানো—এটাই দীর্ঘদিনের রীতি। তবু ২০২৫ এশিয়া কাপে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত–পাকিস্তানের অধিনায়করা মাঠে এমন উষ্ণতা দেখাননি। পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলি আগা বলছেন, টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তাদের মধ্যে এমন আচরণ ছিল না।

সালমান জানান, ভারতীয় দলকে ম্যাচের আগেই সামাজিক মাধ্যমে ‘নো হ্যান্ডশেক’ মনোভাব গ্রহণ করতে দেখা গেছে এবং টসে দেশটির অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব হাত বাড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ম্যাচ রেফারি অ্যাঞ্জি পাইক্রফট (Andy Pycroft) তাকে টসের আগেই আলাপে বলেছিলেন যে ‘ওরা’ হাত মিলাবে না—এতে তিনি অবাক হন, কারণ টুর্নামেন্টের শুরুতে তিনি ও সূর্যকুমার একাধিকবারই হাত মেলিয়েছিলেন।

একটি পডকাস্টে সালমান বলেন, টুর্নামেন্টের আগে একটি সংবাদ সম্মেলনে আমরা হাত মেলিয়েছি, ট্রফি নিয়ে ফটোশুটেও একই ছিল। তাই টসের সময় তিনি স্বাভাবিক আচরণ প্রত্যাশা করছিলেন। ‘আমি ভাবিনি বিষয়টা এতটা এগোবে যে হাতই মিলবে না,’ বলেন তিনি।

সালমান আরও জানান, তিনি পাকিস্তান দলের মিডিয়া ম্যানেজারকে নিয়ে টসে গিয়েছিলেন; ম্যাচ রেফারি আলাদাভাবে তাকে বলেছিলেন—‘‘ওরা এমনটা করতে যাচ্ছে, কোনো হ্যান্ডশেক হবে না, তাই প্রস্তুত থাকুন।’’’ তাঁর কথায়, ‘‘আমি বলেছিলাম—হাত না মেলালে না মেলাক। এমন না যে আমি হাত মেলাতে অতীব ব্যাকুল ছিলাম।’’ ম্যাচ শেষে পাকিস্তান হেরে যাওয়ার পর যখন তারা প্রতিপক্ষের প্যাভিলিয়নের দিকে হাত মেলাতে যাচ্ছিল, তখনও একই পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল।

সালমান মনে করেন, একটি দলের অধিনায়ক হিসেবে সঠিক উদাহরণ দেখানো জরুরি। তিনি বলেন, ‘‘আমি যদি পাকিস্তান দলের অধিনায়ক হই, অনেক ছেলে-মেয়ে আমাকে দেখবে এবং অনুকরণ করবে। তাই হাত না মেলানোর মতো কাজকে আমি সমর্থন করি না।’’

পডকাস্টে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সতীর্থ পেসার হাসান আলি। তিনি বলেন, পরিস্থিতি যদি এমনই থাকে তবে ভারতের মতো প্রতিপক্ষের সঙ্গে মাঠে মুখোমুখি হওয়াই এড়ানো উচিত—অথবা দুই দল সমঝোতায় এসে ম্যাচ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রত্যেককে একটি করে পয়েন্ট ভাগ করে দিত।