ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সিরিজ জয়ে র্যাঙ্কিংয়ে সলিড অবস্থান করে স্বস্তি পেয়েছে বাংলাদেশ। এই তিন জয়ে নয় নম্বরে নিজেদের স্থান শক্ত করেছে টাইগাররা এবং দশে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ব্যবধান বাড়িয়েছে। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফলে ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের সরাসরি যোগ্যতার দিকে এগোনোর সম্ভাবনাও স্পষ্টভাবে দেখা দিয়েছে।
গত বছরের মতো ২০০৬-পরবর্তী সময়ে আবারও দশে ঠেকানোর হতাশা কাটিয়ে উঠতে না না, গত মেয়াদে মাঝে নাম নেমে যাওয়ায় সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে সেরা আটে থাকতে হবে। বর্তমানে র্যাঙ্কিংয়ে সাউথ আফ্রিকা পঞ্চম এবং জিম্বাবুয়ে এগারো নম্বরে। বর্তমান অবস্থান বড় কোন নাটক না হলে খুব বেশি পরিবর্তন হবে না—ফলে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেরা নয়ে থাকার লক্ষ্যটাই টাইগারদের সামনে প্রধান বাধ্যবাধকতা হিসেবে রইল।
নিউজিল্যান্ড সিরিজে মিরাজের দল পুরো হোয়াইটওয়াশ করে ছয় পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ ছিল। কিউইরা র্যাঙ্কিংয়ে উপরের দিকে থাকায় একেকটি জয় বাংলাদেশকে দুই করে পয়েন্ট যোগ করার সুযোগ দিলো; দুই ম্যাচ জিতে টাইগাররা চারটি গুরুত্বপূর্ণ রেটিং পয়েন্ট বাড়ালো। সিরিজের আগে ৭৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ—এখন সেটি বেড়ে ৮৩-এ দাঁড়িয়েছে। তাতে নয় নম্বরে তাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
ওই অবস্থানে বাংলাদেশ এখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে আছেন; ক্যারিবীয়দের রেটিং পয়েন্ট ৭৭, অর্থাৎ টাইগাররা তাদের থেকে ছয় পয়েন্ট এগিয়ে। পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বিতা tougher — অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ—দুটি দলেরই ওয়ানডে র্যাঙ্কিং উপরের দিকে থাকা বাংলাদেশকে হারালেও রেটিংয়ে বড় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবুও এসব সিরিজে জিতলে বড় করে লাফানোর সুযোগ মিলবে এবং আটে উঠে যাওয়ার পথও খুলে যেতে পারে।
নিউজিল্যান্ড সিরিজশেষ সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মিরাজ বলেন, বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তার সঙ্গে ভালো ক্রিকেট খেলা পরিস্কারভাবে জরুরি। ভালো ক্রিকেট খেললেই ফলও পাওয়া সম্ভব হবে বলেই তাঁর বিশ্বাস। তিনি যোগ করেন, ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে পারলে দল আরও উপরে যেতে সক্ষম হবে এবং সেরা নয় থেকে আরও ওপরে উঠে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।




