ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

তামিমের নেতৃত্বাধীন এডহক কমিটি ‘অবৈধ’ দাবি করে বিসিবির আগের সভাপতি বুলবুলের হস্তক্ষেপ চান

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনে গোপন তদন্ত কমিটি বিরূপ মত গ্রহণ করেছে, যা অনিয়ম ও দুর্বলতার ভিত্তিতে গঠিত। এই কমিটি, যা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) দ্বারা গঠিত, অভ্যন্তরীণ তদন্তের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দুর্বলতা ও কারসাজির দিকগুলো উন্মোচন করেছে। এর ফলে বিসিবির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, তার অধীন পরিচালনা পর্ষদকে ভেঙে দিয়ে নতুন ১১ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, এই নতুন কমিটি অবৈধ এবং তার অধীন বোর্ডের কার্যক্রম অর্থহীন।

বুলবুল আরও অভিযোগ করেছেন, সরকারের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তার পরিচালনা পর্ষদকে ভেঙে নতুন এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি আইসিসির কাছ থেকে এ হস্তক্ষেপের বিষয়ে নীরবতা প্রকাশ করে, জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তির ক্ষতি হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বিসিবির স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই নির্বাচন ও তদন্তের কোনও গ্রহণযোগ্যতা বা আইনগত ভিত্তি নেই। বাবদে, বাংলাদেশ ক্রিকেটের ওপর সরকারি হস্তক্ষেপের প্রবণতা ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছেন।

বুলবুল বলেন, তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত এডহক কমিটি সংবিধানের পরিপন্থী এবং আইসিসির নিয়ম লঙ্ঘন করে গঠিত হয়েছে, যা তিনি ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে দেখছেন। এই কমিটিকে তিনি ‘ভুয়া সংস্থা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি বোর্ডের স্বাধিকার ও আইনি বৈধতা লংঘন করেছে।

তিনি আবারো নিশ্চিত করেছেন, বিসিবি বা আইসিসি এই কমিটিকে স্বীকৃতি দেবে না এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রিকেটের দুর্বল ছবি ফলপ্রসূ হচ্ছে। তার মতে, সরকারের হস্তক্ষেপ তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতকেও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলছে। তিনি তড়িৎ হস্তক্ষেপের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এবং অবিলম্বে এই অবৈধ কমিটিকে বাতিল করার দাবি করেন। সবশেষে, বুলবুল উল্লেখ করেছেন, যতক্ষণ না হাইকোর্ট অন্য কোন সিদ্ধান্ত দেয়, ততক্ষণ তিনি বিসিবির বৈধ সভাপতি হিসেবে থাকবেন।