ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

নতুন বছরে শাকিব খানের চার সিনেমা

শাকিব খান গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের সিনেমার শীর্ষ তারকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর সুপারহিট সিনেমা যেমন ‘তুফান’, ‘বরবাদ’ এবং ‘তাণ্ডব’ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে, যা তার অভিনয় দক্ষতা ও সিনেমার গল্প বলতে কতটা পারদর্শী তা প্রমাণ করে। এসব সফলতার মাধ্যমে তিনি নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। অপ্রতিরোধ্য এই ধারাকে ধরে রাখতে এবং উপভোগ্য সিনেমা উপহার দিতে, শাকিব এবার নতুন বছরের জন্য চারটি বড় বাজেটের সিনেমা নিয়ে উপস্থিত হতে যাচ্ছেন।

আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি নতুন প্রকল্পে কাজ শুরু করেছেন। সবশেষে, শাকিবের আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির জন্য প্রস্তুত। এর শুটিং ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানেই সম্পন্ন হয়েছে। এখনও কিছু শেষ মুহূর্তের কাজ বাকি থাকলেও, মুক্তির অপেক্ষায় সিনেমাটি। পরিচালক সাকিব ফাহাদ পরিচালিত এই ছবি মুক্তির আগেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। সিনেমাটি এই ডিসেম্বরে মুক্তির পরিকল্পনা ছিল, তবে কিছু কারণে তা বিলম্বিত হয়েছে।

এছাড়াও, শাকিবের অন্য একটি বড় প্রকল্প হলো ‘প্রিন্স’। এই সিনেমার শুটিং বর্তমানে চলমান, যেখানে অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ তাঁর জুটি হিসেবে থাকছেন। আবু হায়াত মাহমুদ পরিচালিত এই সিনেমার প্রি-প্রোডাকশনের কাজ এগিয়ে চলছে।

নির্মাতা রায়হান রাফী যেনো নতুন করে দর্শকদের মুগ্ধ করতে চান। তারা একসাথে কাজ করেন ঈদুল আজহায় মুক্তির জন্য রেকর্ড অপেক্ষায় থাকা ‘তুফান’ সিনেমায়, যা গত বছর ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। এটি ছিল রাফীর পরিচালনায় তাঁর নতুন প্রজেক্ট, যা বিশাল পর্দায় দর্শকদের মনোলোভা করে তুলেছিল। জানিয়েছেন, তিনি আরও বড় বাজেটের সিনেমা নিয়ে ২০২৬ সালে ফিরবেন শাকিবের সঙ্গে। যদিও এত দিনের জন্য কোনো নাম প্রকাশ করেননি, তবে গুঞ্জন রয়েছে, নতুন সিনেমা ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে পারে।

আরো এক রহস্যময় প্রকল্প রয়েছে, যা চালু হয়েছে এই বছর_middleেই। এটি একটি নাট্য পরিচালকের সিনেমা, যেখানে শাকিবের অংশগ্রহণের কথা শোনা গেলেও, এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি। এই সিনেমার নাম বা মুক্তির তারিখ প্রসঙ্গে মুখ খোলেননি পরিচালক।

গত কয়েক বছর ধরে, দেশের সিনেমা হলের প্রাণভোমরা হয়ে উঠেছেন শাকিব খান। হল মালিকদের মতে, তাঁর সিনেমা মুক্তির পরই ভাটার মুখ থেকে ব্যবসা আবার চাঙ্গা হয়ে ওঠে। সিনেমার এই বিষয়ে তারা আশাবাদী যে, শাকিবের প্রত্যেক নতুন সিনেমাই দর্শকদের মনে এক আলাদা আশা জাগিয়ে তোলে। চলচ্চিত্র প্রযোজকরা শাকিবের এই জনপ্রিয়তার ওপর বিশ্বস্ত থাকছেন, কারণ তিনি নিশ্চিতভাবেই অর্থের লগ্নি ঘরে তুলতে পারেন। এটি প্রমাণ, সিনেমার ব্যবসা তার একাধিপত্যের সাক্ষ্য দেয়।