ঢাকা | শুক্রবার | ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

জামায়াতের মহাসমাবেশ স্থগিত করে ইসলামী আন্দোলন

নির্বাচনের আগে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৃহৎ মহাসমাবেশের পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে গেল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার নিয়োগ পরীক্ষা ও নির্বাচনী পরিবেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা এই কর্মসূচি স্থগিত করেছে। শুক্রবার দুপুরে দলের আমির ও চরমোনাই পীর মোফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নিয়মিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে, গত ২৫ ডিসেম্বর দলের এক মিটিংয়ে ঘোষণা করা হয়েছিল যে, শহীদ ওসমান হাদীর হন্তারকের ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে তারা ৯ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে। তবে, নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষার কারণে, সংশ্লিষ্ট মহাসমাবেশটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়খে চরমোনাই, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমাদ আব্দুল কাইয়ুম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক সহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরে রাজধানীর তিনশ ফিট এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম হয়, যা বিএনপির শক্তিশালী উপস্থিতির পরিচয় দেয়। নির্বাচনের আগে দলটির এই শোডাউন ছিল প্রচার ও শক্তি প্রদর্শনের একটি কৌশল।

এর পরে, জামায়াত ঘোষণা দেয় তারা ৩ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশ করবে। শুধু তাই নয়, জামায়াতের এই কর্মসূচিরও স্থগিত ঘোষণা আসলে, এরপর ইসলামী আন্দোলনও একই সিদ্ধান্ত নিলে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়। জামায়াত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার কারণে মহাসমাবেশ স্থগিত করে, আর ইসলামি আন্দোলনও এই কর্মসূচি স্থগিত করল।