ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

নির্বাচনে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে ইসির চিঠি

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্নের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে এক জরুরি চিঠি পাঠিয়েছে। এই চিঠিতে তাঁরা বিশেষ করে প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ জন্য নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত সকল কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা, নিরপেক্ষতা ও আইনানুযায়ী আচরণের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে মন্ত্রী ও দফতরগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত ডিও লেটার মন্ত্রিপরিষদের সিনিয়র সচিবকে সরাসরি পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যে জানা যায়, এই নির্বাচন অক্টোবর থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার এবং ৪৯৯ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যেও সব الوز্রনালয়, বিভাগ, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও পর্যাপ্ত সংখ্যক ভোটদাতা কর্মকর্তার নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর পাশাপাশি, দেশের জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ভোটার, সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী কর্মকর্তারা এবং জেলখানা ও আইনী হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাও প্রবর্তন করা হয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব গ্রুপের ভোটদানের সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এ উদ্যোগের প্রতি অঙ্গীকার করে বলা হয়েছে, সকল নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী যেন দায়িত্বশীল ও সততার সঙ্গে কাজ করেন, এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন। নির্বাচনের দায়িত্বে যারা আছেন, তারা যেন সকল আইন-বিধান সম্পর্কে শুধু সতর্ক থাকেন, ভুলত্রুটি মুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা ও সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় আগামী ২৯ ডিসেম্বর। এরপর উল্লেখিত তারিখে মনোনয়নপত্র বাছাই, আপিল, শেষ দিনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচারণার সময়সূচি নির্ধারিত রয়েছে। নির্বাচনে ভোট গ্রহনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।