ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

তারেক রহমানের আহ্বান: সামনের দিনগুলো কঠিন, ঐক্যবদ্ধ থাকুন

বিএনপি সহ সব গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানবিন্দুসংঘে দেশের স্বার্থে একসাথে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। his বক্তৃতায় তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আগামী দিনগুলো বেশ চ্যালেঞ্জাপূর্ণ। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা ছড়িয়ে পড়ছে। এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

রোববার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে বগুড়ার শহীদ টিটু মিলনায়তনে শহীদ জুলিও স্মরণে স্থাপিত ডিজিটাল স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি শহীদদের স্মরণ করে বলেন, শহীদ ওসমান হাদী তার মধ্যে অন্যতম, যিনি গণতন্ত্রের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন এবং প্রমাণিত যে তিনি ভোটাভোটে বিশ্বাস করতেন। এই মনোভাবের জন্যই তিনি শহীদ হয়েছেন।

তারেক বলেন, আমাদের উচিত শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো ও তাদের আদর্শকে অনুসরণ করে দেশের শান্তি ও উন্নতির জন্য কাজ করা। তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তারা আমাদের প্রজন্মের তরুণ ছিল। এই যুগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ইন্টারনেট, কিন্তু এর ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় সবকিছু সহজে সংযোগ করা যায় না। তবুও, আগামী নির্বাচনে যদি আমরা জনগণের সমর্থন পাই, তাহলে আমরা ইন্টারনেটের সুবিধা সহজতর করার চেষ্টা করবো, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য।

স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার বিষয়ে তিনি জানান, নতুন পরিকল্পনায় দেশের এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে অনেক নারী থাকবেন। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারীদের কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে।

দেশের আইটি পার্কগুলোর অপচয় ও অকার্যকারিতা নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অতীতে কিছু ডিজিটাল পার্ক তৈরি হলেও, খুব কমই কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি এসব পার্ককে নতুনভাবে গড়ে তুলার কথা বলেন, যাতে তরুণরা ডিজাইন, কন্টেন্ট এবং অনলাইন কাজের জন্য স্থান পায়।

বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনাও তিনি তুলে ধরেন, যেখানে ভাষা শেখা ও বিভিন্ন ট্রেনিং প্রবৃদ্ধি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সহজে চাকরি পাওয়া সম্ভব হবে।

বক্তব্যের শেষ দিকেও তিনি দলের ৩১ দফা ও নতুন স্লোগানকে গুরুত্ব দেন, যেখানে মূল কথা হল- দেশের গর্বে কাজ করা, প্রথমে বাংলাদেশ। এই লক্ষ্য যেন সব কর্মসূচীর কেন্দ্রে থাকে। বিকেল সময়ে অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা আরও বক্তব্য দেন, যেখানে জেলা অর্জনসমূহ ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।