ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি তাঁর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লিখিতভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেছেন যে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন ও স্বাস্থ্যের সমস্যার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজকর্ম ঠিকভাবে চলতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি দেশের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের ত্বরান্বিতকরণে বাধা না সৃষ্টি করতেই পদত্যাগপত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং তা গ্রহণের জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করেছেন।

পত্রে তিনি লিখেছেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছি। আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির স্বার্থে আমার বর্তমান পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছি।”

দীপেন দেওয়ান পেশায় আইনজীবী; কর্মজীবনে তিনি সিনিয়র যুগ্ম জেলা জজ ছিলেন। অবসরের পর ২০০৫ সালে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং পরে রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে কাজ করেন। রাজনীতির ওঠা-নামার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পার্বত্য রাঙ্গামাটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন; তবে দলের সিদ্ধান্তে অন্য প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ায় তিনি প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসেন।

২০২৫ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের হয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দীপেন দেওয়ান। ১৭ বছর পর ক্ষমতায় ফেরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীভাবে দায়িত্ব দেন।