ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

অ্যালগরিদমের ভবিষ্যদ্বাণী: ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে নেদারল্যান্ডস, ব্রাজিল ছিটকে যাবে রাউন্ড অব ৩২-তে

আনুমানিক এক অ্যালগরিদমের রিপোর্ট বলছে, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে নেদারল্যান্ডস। জার্মান অর্থনীতিবিদ ও বিনিয়োগ বিশ্লেষক ইওয়াখিম ক্লেমেন্টরের বিশেষ গাণিতিক মডেলটি এই ধারণা দিয়েছে এবং তার পূর্বের সফল পূর্বাভাসের কারণে এটিalready ফুটবল মহলে আলোচনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ক্লেমেন্টর উল্লেখ করেছেন, তার মডেল শুধুই মাঠের ফর্মের উপর নির্ভর করে না—এটি অর্থনীতি, জনসংখ্যা, আবহাওয়া, আয়, এবং আয়োজক দেশের পরিবেশগত সুবিধাসহ নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকও বিবেচনায় নেয়। তিনি দাবি করেন, এসব ডাটা মিলিয়ে তাঁর মডেল প্রায় ৫৫ শতাংশ নির্ভুলতার হার দেখায়।

বিশেষ করে ক্লেমেন্টরের মডেলটি পূর্বে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন অনুমান করেছিল বলে জোরালো দাবি রয়েছে; সেই অভিজ্ঞতা থেকেই নতুন ভবিষ্যদ্বাণীটি অধিক গুরুত্ব পেয়েছে এবং ফুটবল বিশ্লেষকরা ও ভক্তরা তা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন।

মডেলের অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডসকে এবারের টুর্নামেন্টে সহজ পথে যেতে হবে না। গ্রুপ পর্বে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছে জাপান, সুইডেন ও তিউনিসিয়া—যে গ্রুপটিকে মডেল ‘‘চ্যালেঞ্জিং’’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

সবচেয়ে বড় চমক নেমেছে নকআউট পর্বের পূর্বাভাসে। সেই ভবিষ্যদ্বাণীতে বলা হয়েছে, রাউন্ড অব ৩২-তেই জাপান ব্রাজিলকে পরাজিত করে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করাবে—এটি যদি বাস্তবে ঘটে, তবে ছিলো বড় এক আপসেট।

ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের প্রতিপক্ষ হিসেবে মডেল পরামর্শ দিচ্ছে পর্তুগালকে। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে (নিউ জার্সি) অনুষ্ঠিত ফাইনালে নেদারল্যান্ডস জিতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জন করবে—এমনটি নির্ধারিত আছে ক্লেমেন্টরের অ্যালগরিদমে।

এটি ছাপানোর যোগ্য রোমাঞ্চকর মুহূর্ত, কারণ আগেই ডাচরা ১৯৭৪, ১৯৭৮ ও ২০১০ সালে ফাইনালে হারার ফলে শিরোপাবঞ্চিত হয়েছিল—এবার সেই আক্ষেপ মিটবে কি না, সেটাই দেখার বিষয়।

তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, ভরসাযোগ্য হলেও একেকটি মডেল কেবল সম্ভাবনার চিত্র আঁকে; বাস্তব ফুটবল অনেক অনিশ্চয়তার খেলা। ক্লেমেন্টরের পূর্বাভাস যতই আলোচ্য হোক না কেন, মাঠে খেলা হবে খেলোয়াড়দের প্রতিভা, taktics ও ভাগ্যের ওপর। তাই এই অ্যালগরিদমের ফলাফল দর্শকদের জন্য একটি কৌতূহল তৈরি করেছে—কিন্তু চূড়ান্ত উত্তর দিবে ২০২৬ সালের আসল ম্যাচগুলোই।