ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৯ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

খুলনা চেম্বারের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২২ আগস্ট

খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বি-বার্ষিক পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে—২৮ আগস্ট নয় বরং ২২ আগস্ট (শনিবার)—খুলনা কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত ও তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২-এর ১৭ ও ১৮ ধারার এবং বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ২০ অনুযায়ী। ভোটারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন বোর্ড। এসব তথ্য নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, খুলনার পরিচালক (উপ-সচিব) মোঃ শাহীনুজ্জামানের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রধান সময়সূচিগুলো হলো: প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩০ জুন বিকাল ৫টায়; ১ থেকে ৩ জুলাই ভোটার তালিকাবিরোধী আপত্তি নির্বাচন বোর্ডে দাখিল করা যাবে; এসব আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ৬ জুলাই; চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ৭ জুলাই। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত; মনোনয়নপত্র বাছাই অনুষ্ঠিত হবে ১৫ জুলাই সকাল ১১টায়; বৈধ মনোনীত প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হবে ২১ জুলাই।

মনোনয়নপত্র বাতিল সংক্রান্ত আপত্তি দাখিল করা যাবে ২২ থেকে ২৪ জুলাই; এসব আপিলের নিষ্পত্তি হবে ২৭ জুলাই এবং একই দিনে বৈধ মনোনীত প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৩০ জুলাই বিকেল ৪টা; সেই সঙ্গে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করা হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট ফল সংক্রান্ত আপত্তি নির্বাচন বোর্ডে দাখিল করা যাবে এবং এসব আপিল ২৭ আগস্টের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে।

তফসিল অনুযায়ী বোর্ডে মোট ২৮টি পদ গণ্য করা হয়েছে—এর মধ্যে একজন সভাপতি, একজন উর্ধ্বতন উপ-সভাপতি, দুইজন সহ-সভাপতি, ১৫ জন সাধারণ সদস্য শ্রেণির পরিচালক, ৬ জন সহযোগী সদস্য শ্রেণির পরিচালক এবং ৩ জন বাণিজ্যিক দলের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচালক নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচনী প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টরা উৎসাহিত করা হয়েছে সময়মতো আবেদন, আপত্তি ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য। নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুসরণ করে যারা ভোটার বা প্রার্থী হতে চান তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নথি জমা ও আপত্তি দাখিল করতে বলা হয়েছে।