আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে এক বছর আগে বিদায় নেওয়ার পর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বয়স এখন ৪০ ছুঁইছুঁই। তবে তার ক্রিকেটের প্রতিভা ও আবেগ এখনো অটুট। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম বৃহৎ উৎসব ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। তিনি এবার মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ছেড়ে যোগ দিয়েছেন প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের দলে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সিসিডিএম কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলবদল সম্পন্ন করেন মাহমুদউল্লাহ। দীর্ঘ বিরতি ও নানা আলোচনার পর প্রাইম ব্যাংকের জার্সিতে ফেরেন তিনি, যা তার জন্য গর্বের ও উদ্দীপনার বিষয়।
সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়া মাহমুদউল্লাহ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমি অত্যন্ত খুশি এই দলে থাকি। টপ অর্ডার থেকে শুরু করে পুরো স্কোয়াডের মিল। সব মিলিয়ে এক দুর্দান্ত দল হয়েছে বলে আমি মনে করি।
বিশেষ করে, আজিজুল হাকিম, তামিম ইকবাল, শাহাদাত হোসেন দীপু ও অন্যদের উপস্থিতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিডল অর্ডারে আমি ও শামীম হোসেন পাটোয়ারির পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটাররাও জায়গা পেয়েছেন। পেস ও স্পিন বিভাগে আলিস আল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, রায়ান রাফসান ও এনামুলের মতো দক্ষ বোলাররা দলের শক্তি বাড়িয়েছে। মাহমুদউল্লাহ যোগ করেন, তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের এই সংমিশ্রণ আমাকে খুব আশাবাদী করে তোলে।
প্রায় দশ বছর পরে আবার প্রাইম ব্যাংকের জার্সিতে খেলতে পেয়ে তিনি ক্লাবকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ২০১৫ সালের পর এবার আবার সুযোগ পেলাম। প্রাইম ব্যাংক দীর্ঘ দিন ধরে ক্রিকেটারদের উন্নত সুযোগ-সুবিধা ও পারিশ্রমিকের ব্যবস্থা করে আসছে। এটি তাদের সত্যিই প্রশংসনীয় ব্যাপার।
তিনি আরও যোগ করেন, মাঠে কষ্ট করে খেলার পর ক্রিঙ্কাররা চান তাদের পারিশ্রমিক যেন ঠিকঠাক পায়। প্রাইম ব্যাংক এই ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান।
একই সময়ে বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালকেও কৃতিত্ব দেন মাহমুদউল্লাহ। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ নেওয়ার জন্য অবশ্যই তামিমকে ধন্যবাদ। ও আসলে ক্রিকেটের অধিনায়ক, যে এই উদ্যোগটি শুরু করেছে। এটা সত্যিই ক্রিকেটারদের জন্য বড় আয়ের উৎস। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো, খেলোয়াড়রা মাঠে থাকুক, খেলতে ইচ্ছুক থাকুক। মাঠে খেলার সুযোগ না পেলে কিছুই হয় না।




