ঢাকা | সোমবার | ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

পরিকল্পিত হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় হেরাজ মার্কেটের মসজিদে

নগরীর হেরাজ মার্কেটের জামে মসজিদে পরিকল্পিতভাবে হামলা, ভাঙচুর ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে নির্মম অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সাবেক ইমাম আবুল কালাম আজাদকে পুনর্বহাল করার বিষয়টি কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে গত রোববার খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাকির পিন্টু বলেন, ঘটনার দিন ১৮ এপ্রিল আসরের নামাজের পর একটি সংগঠিত দল মসজিদে প্রবেশ করে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এসময় তারা সাবেক ইমাম আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে আনীত সামাজিক বা ব্যক্তিগত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়। তবে ওই সময়পরবর্তীতে একটি ধর্ষণ মামলার বিচারাধীনতা রয়েছে এবং তার সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে উঠতি অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এর মাধ্যমে ইমাম শূন্য থাকা দীর্ঘদিনের পরিস্থিতির মধ্যে নতুন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঘটনার দিন খুলনা জেলা ইমাম পরিষদ নেতা গোলাম কিবরিয়া, নাজমুস সউদ ও মোল্লা মিরাজের নেতৃত্বে বহিরাগতরা মসজিদে প্রবেশ করে। তারা মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাবেক ইমামকে পুনর্বহালের প্রক্রিয়া শুরু করে। এ সময় প্রতিবাদ করলে, মসজিদ কমিটির সচিব নাজমুস সাকির পিন্টুসহ কয়েকজনের উপর হামলা চালানো হয়। আহত হয় পিন্টু, রিয়াজ উদ্দিন সুজা, শফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে। হামলাকারীরা মসজিদের ভেতরে থাকা ডিজিটাল ঘড়ি এবং জানালা কাঁচ ভেঙে প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। অভিযোগকারীরা আরো জানান, এর আগে সম্ভাব্য উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে থানায় অভিযোগ করা হলেও তার কোনো ফল হয়নি। পরে ভুক্তভোগীরা উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। সংবাদ সম্মেলনে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানানো হয়। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক নেই; তবে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।